ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ মানেই কনকনে ঠান্ডা। হু হু করে নামছে পারদ, সোয়েটার-কম্বল দিয়েও যেন শীত সামলানো দায়। ঠিক এই সময়েই বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীর ও মনের জন্য সবচেয়ে উপকারী হয়ে উঠতে পারে দাম্পত্য বা পার্টনারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা। শীতের রাতে যৌনতা শুধু সম্পর্কের উষ্ণতাই বাড়ায় না, বরং একাধিক শারীরিক সমস্যার ঝুঁকিও কমায়।
চিকিৎসকদের মতে, যৌনতার সময় মস্তিষ্ক থেকে ‘এন্ডোরফিন’ নামের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা শরীরকে স্বাভাবিকভাবেই উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঠান্ডাজনিত অস্বস্তি অনেকটাই কমে। পাশাপাশি শীতকালে যে সর্দি-কাশি, ভাইরাল সংক্রমণের সমস্যা বাড়ে, তার বিরুদ্ধেও যৌনতা কার্যকর। নিয়মিত যৌনতার ফলে শরীরে অ্যান্টিবডির কার্যকারিতা বাড়ে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।
শুধু তাই নয়, শীতকালে অনেকেই Seasonal Depression বা অবসাদের শিকার হন। মানসিক চাপ, একাকিত্ব বা ক্লান্তি কাটাতেও যৌনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এতে মন ভালো থাকে, ঘুম গভীর হয় এবং সম্পর্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠতাও বাড়ে।
শীতের রাতকে আরও আরামদায়ক ও উপভোগ্য করে তুলতে কিছু সহজ টিপস মানা যেতে পারে। ঘরটিকে হালকা আলো বা মোমবাতি দিয়ে সাজালে পরিবেশ হবে উষ্ণ ও রোম্যান্টিক। যৌনতার আগে ধীরে ধীরে স্পর্শের মাধ্যমে কাছাকাছি এলে অনুভূতিও বাড়ে। ঠান্ডা এড়াতে পায়ে মোজা বা হালকা থার্মাল পোশাক ব্যবহার করা যেতে পারে। শরীরকে শিথিল করতে হট অয়েল ম্যাসাজ দারুণ উপকারী। মাঝে মাঝে হট চকলেট বা গরম কফি শরীরের উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। আর সবশেষে, একসঙ্গে গরম জলে স্নান শীতের রাতকে করে তুলতে পারে আরও বিশেষ।
তাই এবারের শীতে সম্পর্কের উষ্ণতাতেই ভরসা রাখুন। সুস্থ শরীর, ভালো মন আর মজবুত সম্পর্ক-সবই মিলবে একসঙ্গে।