কেউ আপ...">
কেউ আপনার প্রতি অতিরিক্ত জেলাস (ঈর্ষান্বিত) হলে তা মানসিকভাবে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তবে সঠিকভাবে পরিস্থিতি সামলাতে পারলে সম্পর্ক নষ্ট না করেও নিজের মানসিক শান্তি বজায় রাখা সম্ভব।প্রথমত, শান্ত থাকুন এবং বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না। অনেক সময় মানুষের নিজের অনিরাপত্তা বা আত্মবিশ্বাসের অভাব থেকেই ঈর্ষা জন্মায়। তাই তাদের আচরণকে সরাসরি আক্রমণ হিসেবে না দেখে, এর পেছনের কারণ বোঝার চেষ্টা করুন।দ্বিতীয়ত, খোলামেলা যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি সেই ব্যক্তি আপনার পরিচিত বা ঘনিষ্ঠ হন, তবে শান্তভাবে তার সঙ্গে কথা বলুন। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন যে তার আচরণ আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলছে। অভিযোগের সুর না রেখে, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করুন—এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে।তৃতীয়ত, নিজের সীমারেখা (boundary) স্পষ্ট রাখুন। কেউ যদি বারবার নেতিবাচক আচরণ করে, তবে তাকে বোঝান যে আপনি সেই আচরণ মেনে নেবেন না। প্রয়োজনে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখা ভালো।চতুর্থত, নিজেকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকুন। অন্যের ঈর্ষা যেন আপনার আত্মসম্মান বা কাজের ওপর প্রভাব ফেলতে না পারে। নিজের লক্ষ্য ও উন্নতির দিকে মনোযোগ দিন।সবশেষে, প্রয়োজনে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়াও একটি বুদ্ধিমানের কাজ। সব সমস্যার সরাসরি মোকাবিলা করতেই হবে এমন নয়। যদি দেখেন পরিস্থিতি পরিবর্তন হচ্ছে না, তবে নিজেকে মানসিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে সেই ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা ভালো।সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ধৈর্য দিয়ে এমন পরিস্থিতি সামলানো সম্ভব।