দিল্লির মেস বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহুজন। ইতিমধ্যেই মেসবাড়ির মালিক হরিরাম বনসলকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। মামলা দায়ের হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টে। সূত্রের খবর...
দিল্লির মেস বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহুজন। ইতিমধ্যেই মেসবাড়ির মালিক হরিরাম বনসলকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। মামলা দায়ের হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টে। সূত্রের খবর, আজ সোমবারই জরুরি শুনানি হবে আদালতে। বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হবে। মৃতদের পরিবারকে কমপক্ষে এক কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের দাবি জানিয়েছেন মামলাকারী।
জানা যাচ্ছে, অনিকেত কুমার গুপ্ত নামে এক ব্যক্তি মেসবাড়ি ভেঙে পড়া নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। আদালতের কাছে তাঁর আর্জি, দিল্লিতে যত এমন মেস বাড়ি আছে, সেগুলোর প্রত্যেকটির পরিকাঠামোগত নিরাপত্তা যাচাই করতে হবে। নিয়মিত এই ধরনের যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালু করা দরকার বলেও দাবি করেছেন মামলাকারী। অন্যদিকে পুলিস সূত্রে খবর, রবিবার এই ঘটনাটি ঘটার পর থেকেই পলাতক ছিলেন মালিক হরিরাম। আজ, সোমবার তাঁকে রাজস্থানের ভিওয়াড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিস।
প্রাথমিকভাবে দিল্লির ভবনটি ভেঙে পড়ার নেপথ্যে বেসমেন্টের সংস্কারের কাজকেই দায়ী করা হচ্ছে। অভিযোগ, এলাকায় দু’তিন দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছিল। বেসমেন্টে জলও জমে গিয়েছিল। তবু সংস্কারের কাজ থামানো হয়নি। বেসমেন্টের একটি দেওয়াল ভেঙে নতুন করে তৈরি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়দের অনেকে। এমতাবস্থায় ভবনের মালিক, ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার এবং সংস্কারের কাজে যুক্ত শ্রমিকদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিস।
এই ঘটনায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা পাত্র জানিয়েছেন, 'অসুরক্ষিত পেইং গেস্ট বা হস্টেল ভবনে আমরা কাউকে থাকতে দেব না। চাণক্যপুরীর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পড়ুয়াদের বাবা-মায়ের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করেছি। তাঁদের সবরকম সাহায্য করা হচ্ছে।’’ এ ছাড়া, সরকারি কোনও কর্মী বা আধিকারিকের গাফিলতি থাকলেও তা বরদাস্ত করা হবে না হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।