ভারত স্বাধীনতা লাভ করার পরেও বহু প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে গেছে। যার মধ্যে সবথেকে বড় দুর্বলতা ছিল অর্থ সঙ্কট। কিন্তু বর্তমানে সেই প্রতিকূলতা কাটিয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তকমা পেয়েছে ভারত...
ভারত স্বাধীনতা লাভ করার পরেও বহু প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে গেছে। যার মধ্যে সবথেকে বড় দুর্বলতা ছিল অর্থ সঙ্কট। কিন্তু বর্তমানে সেই প্রতিকূলতা কাটিয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তকমা পেয়েছে ভারত। ঘুঁচেছে কংগ্রেস আমলের 'ফ্র্যাজাইল ৫' তকমা। আজ লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে সেই প্রসঙ্গ তুলেই মোদী জানান, গত ১২ বছরে ভারত বিশ্বের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
জানা যায়, ২০১৩ সালে গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্ক 'মরগান স্ট্যানলি' এই 'ফ্র্যাজাইল ৫' শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেছিলেন। মূলত আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পাঁচটি দেশের অর্থনীতিকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল। আর সেই তালিকায় ছিল ভারত, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিক এবং তুরস্ক। ইউপিএ আমলে ভারত মুদ্রাস্ফীতি, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ঘাটতি, টাকার দামে পতন এবং বিদেশি পুঁজির উপর নির্ভরতার মতো সমস্যাগুলোর ভারে জর্জরিত ছিল প্রায়ই দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। আজও সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কংগ্রেস সরকারকে তুলোধোনা করেন তিনি।
২০১২ সালে ভারত ব্যাপক আর্থিক ধাক্কা খেয়েছিল। রপ্তানি থেকে অর্জিত আয়ের চেয়ে আমদানি বাবদ ভারতের ব্যয় ছিল অনেক বেশি। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছিল দেশীয় বাজারে। শনিবার স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার ভাষণে মোদী এই পুরনো অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলেই কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তোলেন। পাশাপাশি বর্তমানে ভারতের উন্নত অর্থনৈক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন।