গলায় ঝুলছে গেরুয়া উত্তরীয়। খোশ মেজাজে বিধানসভা চত্বরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কালীঘাট শিবিরের বিধায়ক কুণাল ঘোষ! শুক্রবার এই দৃশ্য দেখা মাত্রই জল্পনা শুরু হয় রাজনীতির অন্তরমহলে। মনে মনে অনেকেই ভেবে বসেন, এবার ত...
গলায় ঝুলছে গেরুয়া উত্তরীয়। খোশ মেজাজে বিধানসভা চত্বরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কালীঘাট শিবিরের বিধায়ক কুণাল ঘোষ! শুক্রবার এই দৃশ্য দেখা মাত্রই জল্পনা শুরু হয় রাজনীতির অন্তরমহলে। মনে মনে অনেকেই ভেবে বসেন, এবার তিনিও বুঝি গেরুয়া শিবিরেই ঘাঁটি গড়ছেন। কিন্তু মুহূর্তেই সেই জল্পনায় জল ঢালেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক। জানিয়ে দেন গেরুয়া উত্তরীয় গলায় জড়ানোর নেপথ্য কাহিনীও।
আগাগোড়াই চর্চায় থাকতে পছন্দ করেন কুণাল ঘোষ। তাই তাঁকে নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বর্তমান টালমাটাল সময়ে অন্য বিধায়ক, সাংসদরা মুখ ফিরিয়ে নিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়েননি তিনি। তাই আচমকা তাঁর গলায় গেরুয়া উত্তরীয় ওঠায় সবাই কম-বেশি ঘাবড়ে গিয়েছিল বইকি। কিন্তু সবার কৌতূহল দূর করে এদিন সাংবাদিকদের কুণাল জানান, বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আজ 'রাষ্ট্রীয় গো-রক্ষা বাহিনী' একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল এসেছিলেন। তাঁরাই কুণালকে দেখে সৌজন্য বিনিময় করেন। পড়িয়ে দেন গেরুয়া রঙের উত্তরীয়। আর যা হাসি মুখে গ্রহণও করেন তিনি। সুতরাং এর নেপথ্যে যে দলবদলের কোনও আভাস দূর দূরান্ত পর্যন্ত নেই, তা নিজেই পরিষ্কার করেন কালীঘাট শিবিরের বিধায়ক।
প্রসঙ্গত, এর আগে ১৫ অগাস্টের দিনও সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন কুণাল। আচমকা হানা দিয়েছিলেন মেট্রোপলিটনে ঋত-শিবিরের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে। সেখানে গিয়ে শহিদবেদিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন ও বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। তখনও কুণালকে নিয়ে কম জল্পনা হয়নি। কিন্তু পরে তিনি জানিয়েছিলেন ওই এলাকা তাঁর বিধানসভা চত্বরের মধ্যে। তাই বাড়ি ফিরতি পথে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি।