লালকেল্লার অদূরে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলল রাষ্ট্রপুঞ্জ। তাদের দাবি, গত বছরের নভেম্বরের ওই বিস্ফোরণের নেপথ্যে আল কায়েদার উপমহাদেশীয় শাখা যোগ ছিল। যদিও এই দাবি অনেক আগেই ভারতের ...
লালকেল্লার অদূরে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলল রাষ্ট্রপুঞ্জ। তাদের দাবি, গত বছরের নভেম্বরের ওই বিস্ফোরণের নেপথ্যে আল কায়েদার উপমহাদেশীয় শাখা যোগ ছিল। যদিও এই দাবি অনেক আগেই ভারতের তরফে তোলা হয়েছিল। এবার সেই দাবিতেই আরও জোর দিল রাষ্ট্রপুঞ্জ।
গত বছর ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল লালকেল্লা চত্বর। ঘটনাস্থল ছিল লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের এক নম্বর গেটের খুব কাছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই সাংঘাতিক ছিল যে, রাস্তা থেকে ৪০ ফুট নীচে থাকা মেট্রো স্টেশনও কেঁপে উঠেছিল। সেই বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছিল। আহত হয়েছিল আরও অনেকে। পরে সেই ঘটনার তদন্তে নেমে ফরিদাবাদের ‘চিকিৎসক মডিউল’-এর হদিশ পান গোয়েন্দারা। এরপর চলতি বছরের মে মাসে ওই বিস্ফোরণ কাণ্ডে প্রথম চার্জশিট জমা দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। চার্জশিটে বলা হয়, আনসার-উল-হিন্দ নামে আল কায়েদার উপমহাদেশীয় শাখার এক সহযোগী সংগঠন এই হামলা চালিয়েছে। আর এবার ভারতের সেই অভিযোগই উঠে এল রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের রিপোর্টে।
রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে ১০১ নম্বর অনুচ্ছেদে জানান হয়েছে, এলাকাভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠীতে পরিণত হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আল কায়েদার উপমহাদেশীয় শাখা। গোপনীয়তা বজায় রাখতে বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ছোট বিক্ষিপ্ত কিছু শাখার মাধ্যমে কাজ করার চেষ্টা করছে তারা। নিজস্ব লজিস্টিক এবং আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। এমনকি ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও এই জঙ্গিগোষ্ঠী শাখা বিস্তারের চেষ্টা করছিল বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের নভেম্বরে গুজরাতের আহমদাবাদ থেকে তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক। অভিযোগ, ধৃতরা ‘রাইসিন’ তৈরির চেষ্টা করছিলেন। যা জৈব অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার হয়। সেই ঘটনার সঙ্গেও ‘আইএস’ যোগের কথা উঠে এসেছিল। আর এবার রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টেও তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেল।