এবার আরও শক্তিশালী হল ভারতের সামরিক অস্ত্র ভাঁড়ার। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সস্তার আত্মঘাতী ড্রোন 'শেষনাগ ১৫০' তৈরি হল ভারতের মাটিতে। আধুনিক যুদ্ধে হামলাকারী ড্রোনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, আর সেই...
এবার আরও শক্তিশালী হল ভারতের সামরিক অস্ত্র ভাঁড়ার। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সস্তার আত্মঘাতী ড্রোন 'শেষনাগ ১৫০' তৈরি হল ভারতের মাটিতে। আধুনিক যুদ্ধে হামলাকারী ড্রোনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, আর সেই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন আত্মঘাতী ড্রোন বানাল ভারত। উল্লেখ্য, সস্তার আত্মঘাতী ড্রোন বানানোর পরিকল্পনা প্রথম অবলম্বন করেছিল ইরান। তারপর সেই ড্রোনের দেখাদেখি আমেরিকাও বানিয়ে ফেলেছিল 'লুকাস' ড্রোন। পরে সেই ড্রোন দিয়ে ইরানের উপরেই হামলা চালিয়েছিল মার্কিন সেনা।
বস্তুত, সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা মাথার রেখে এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে হামলাকারী ড্রোনের ব্যবহার আরও বাড়ানোর চিন্তাভাবনা থেকেই এই ড্রোন বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। পর থেকেই সামরিক সংঘাতে ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ঘাতক ড্রোন নিয়ে কাজ শুরু করেছে ভারত। যার মধ্যে একটি হল শেষনাগ ১৫০। যা দেশের সামরিক ভাঁড়ারকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
জানা যাচ্ছে, বেঙ্গালুরুর প্রতিরক্ষা সংস্থা নিউস্পেস রিসার্চ টেকনোলজিস এই ড্রোন নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে। সিঁদুর অভিযানের সময়েও এই সংস্থার অন্য হামলাকারী ড্রোন ব্যবহার করেছিল ভারতীয় সেনা। এই অবস্থায় আরও দূরপাল্লার ড্রোন নির্মাণের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। অন্য আরেকটি সূত্রের দাবি, ঝাঁকে ঝাঁকে হামলা চালাতে সক্ষম হবে এই অত্যাধুনিক শেষনাগ ড্রোন। পাশাপাশি প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করতেও সক্ষম হবে এই ড্রোন। এমনকি প্রতিপক্ষের রেডারেও ধরা পড়বে না এটি। একবারে ৫ ঘণ্টা উড়তে পারবে শেষনাগ ১৫০। এই ড্রোন মোট ২৫ থেকে ৪০ কেজি বিস্ফোরক বহন করতে পারবে।