চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছে ২৬ হাজার চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষৎ। এর মধ্যেই নিজেদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হল যোগ্যরা। তাঁদের আবেদন, যেহেতু এখনও নতুন নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি, তাই তাঁদের...
চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছে ২৬ হাজার চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষৎ। এর মধ্যেই নিজেদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হল যোগ্যরা। তাঁদের আবেদন, যেহেতু এখনও নতুন নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি, তাই তাঁদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। অন্যদিকে এই একই আবেদন জানান হয়েছিল রাজ্যের তরফেও। মঙ্গলবার দু'পক্ষের আর্জি শুনে আদালত জানিয়েছে যতদিন না মূল মামলার শুনানি হচ্ছে, ততদিন চাকরি বহাল থাকবে যোগ্যদের।
রাজ্যে পূর্বতন সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজ্য তথা রাজনীতি। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সেই মামলার জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সামনে এসেছিলে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এরপর গতবছর এসএসসির ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। চাকরিহারা হয়ে পড়েন ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। কিন্তু ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে গেলে স্কুল গুলো অচল হয়ে পড়বে, এই কথা মাথায় রেখে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যোগ্যদের শিক্ষকতার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে সেই মেয়াদ আরও বাড়িয়ে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত করা হয়। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে ওই শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশও দেওয়া হয়।
কিন্তু অগাস্ট মাসের শেষে এসেও এখনও সম্পন্ন হয়নি নিয়োগ প্রক্রিয়া। তাই এবার ফের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির আর্জি নিয়ে সুপ্রিম দ্বারস্থ হলেন। একই আর্জি জানিয়েছে রাজ্য। এমতাবস্থায় পর্যবেক্ষণ যতদিন না মূল মামলার শুনানি হচ্ছে, ততদিন চাকরি বহাল থাকবে যোগ্যদের।