গত ৪ অগাস্ট অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিল ফুকেত-দিল্লি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। বরাতজোরে প্রাণে বেঁচেছিল ১৩৭ জন যাত্রীর। এবার সেই ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট দিল এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব...
গত ৪ অগাস্ট অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিল ফুকেত-দিল্লি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। বরাতজোরে প্রাণে বেঁচেছিল ১৩৭ জন যাত্রীর। এবার সেই ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট দিল এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। জানা যায়, ঘটনার দিন মাঝআকাশে বিমানের তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেম একসঙ্গে বিকল হয়ে গিয়েছিল। আর সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যে পাইলট ছিলেন, তিনি গাঁজা এবং ঘুমের ওষুধ খেয়ে ককপিটে উঠেছিলেন।
আজ থেকে ঠিক এক মাস আগে বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল ফুকেত-দিল্লি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। একধাক্কায় প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে গিয়েছিল সেটি। এর জেরে ২৩ জন যাত্রী আহত হয়েছিলেন। চরম আতঙ্ককিত হয়ে পড়েছিলেন বাকিরা। পরে সেই ঘটনায় তদন্ত শুরু হতেই একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আসে। প্রথম ডোপ টেস্টে ফেল করেন এক পাইলট। তাঁর শরীরে সাইকোঅ্যাক্টিভ পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়েছিল। নিশ্চিত হতে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষার ফলাফলও পজিটিভ আসে। পরে তিনি নিজেই স্বীকার করেন, যে বিমানে ওঠার আগে তিনি গাঁজা এবং ঘুমের ওষুধ দুটোই খেয়েছিলেন।
তথ্যে আরও জানা যায়, ওইদিনই বিমানটির তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেম একসঙ্গে বিকল হয়েছিল। ব্ল্যাক বক্সের তথ্য যাচাই করে জানা যায়, প্রথমে গ্রিন হাইড্রোলিক সিস্টেমের প্রেশার কমে যায়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ব্লু এবং ইয়েলো হাইড্রোলিক সিস্টেমও একই সমস্যার সম্মুখীন হয়। যার ফলে বিমানকে ভাসিয়ে রাখার ক্ষমতা কমে যায় ডানাগুলির। তারপরেই ক্রমশঃ নিচের দিকে নামতে থাকে বিমানটি। তবে সৌভাগ্য়বশত সিস্টেমগুলি পুনরায় সঠিকভাবে কাজ করতে শুরু করে। বড় বিপদ এড়ানো যায়।