কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কড়া পুলিসি নিরাপত্তায় যোগেশচন্দ্র কলেজে হচ্ছে দুটি সরস্বতী পুজো। চৌধুরি আইন কলেজের পুজো হচ্ছে কলেজ ক্যাম্পাসে। অন্যদিকে ডে কলেজের পুজো হচ্ছে পাশেরে গলিতে তৃণমূল পার্টি অফিস...
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কড়া পুলিসি নিরাপত্তায় যোগেশচন্দ্র কলেজে হচ্ছে দুটি সরস্বতী পুজো। চৌধুরি আইন কলেজের পুজো হচ্ছে কলেজ ক্যাম্পাসে। অন্যদিকে ডে কলেজের পুজো হচ্ছে পাশেরে গলিতে তৃণমূল পার্টি অফিসের অন্দরে। রবিবার যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজের দুটো পুজোয় পরিদর্শন করলেন যান জয়েন্ট সিপি অজয় প্রসাদ।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলেজ যোগেশচন্দ্রতে সরস্বতী পুজো করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠছিল তৃণমূল যুবনেতা সাব্বির আলির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল এই সাব্বিরের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে হয়েছে নানান জল্পনা। হস্তক্ষেপ করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রিপোর্ট চেয়ে পাঠান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছ থেকে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে এদিন পুজো মন্ডপে দেখা মিলল সাব্বিরের।
এদিন ক্যামেরার সামনে সাব্বির আলি বলেন, 'আমি ছোটবেলা থেকে স্কুলে অঞ্জলি দিয়ে আসছি। পুরো পাড়ায় পাড়ায় যাই। তাই এই নিয়ে বেশি কথা বলব না। শুধু বলব শান্ত বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা করবেন না।' তিনি আরও জানান, “এটা ছাত্র-ছাত্রীদের পুজো। আমায় ইনভাইট করেছে, তাই এসেছি।
যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজের প্রিন্সিপাল পঙ্কজ রায় জানান, এক লক্ষ কাছাকাছি টাকা নিয়ে বাইরে পুজো হচ্ছে। সেখানে কি কি হচ্ছে জানার দরকার নেই, কিন্তু টাকা নিয়ে নেওয়া হয়েছে। টিচার ইনচার্জ সেই টাকা নিয়ে নিয়েছেন। তাই প্রিন্সিপাল নিজের টাকায় ঠাকুর এবং মিষ্টি কিনে এনে পুজো করাচ্ছেন। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গাড়ি বারান্দাতেই হচ্ছে যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল কলেজের পুজো।