এখনও এক মাসও সম্পূর্ণ হয়নি। সদ্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন জেন-জি'দের পছন্দের বলেন্দ্র শাহ। কিন্তু এর মধ্যেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর প্রতিবাদ। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধ...
এখনও এক মাসও সম্পূর্ণ হয়নি। সদ্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন জেন-জি'দের পছন্দের বলেন্দ্র শাহ। কিন্তু এর মধ্যেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর প্রতিবাদ। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছেন দেশটির পড়ুয়ারাও। কিন্তু ঠিক কী কারণে বিক্ষোভের পড়তে হল নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে?
জানা যাচ্ছে, মূলত ২টি কারণ রয়েছে এর নেপথ্যে। যার মধ্যে প্রধান এবং অন্যতম হল, বলেন্দ্রর সরকার চাইছে না রাজনৈতিক দলগুলির ছাত্র ইউনিয়ন থাকুক। এমনকি অভিযোগ, আলোচনার পরিবর্তে সরকারের ইচ্ছে 'জোর'পূর্বক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে নাগরিকদের উপর। যা মোটেই পছন্দ দেশের তরুণ সমাজের। ইতিমধ্যেই সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখতে শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা।
আর সম্ভাব্য দ্বিতীয় কারণটি হল, ভারত থেকে আসা পণ্যের মূল্য একশো টাকা বা তার বেশি হলেই বাধ্যতামূলক শুল্ক। যার ফলে সীমান্তবর্তী মানুষদের ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কারণ, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য ভারতের উপরেই নির্ভরশীল তারা। আর এই জোড়া অভিযোগ সামনে রেখেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নেপাল।
বলে রাখা ভালো, গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেন জি আন্দোলনের প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল ওলি সরকার। এরপর নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সুশীলা কারকি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন। এরপর তাঁর নেতৃত্বেই গত ৫ মার্চ জাতীয় নির্বাচন হয় নেপালে। ১৬৫টি আসনে ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল ৬৫টি রাজনৈতিক দল। শেষে জয়ের হাসি হাসেন প্রাক্তন র্যাপার বলেন্দ্র শাহ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার এক মাস সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বিতর্কের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকেও।