গত শনিবার ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ইরানের মিনাব শহরে মেয়েদের একটি স্কুল। তেহরানের দাবি, সেই বিস্ফোরণে অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে যার মধ্যে অধিকাংশই শিশু। তবে কোন দেশের ...
গত শনিবার ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ইরানের মিনাব শহরে মেয়েদের একটি স্কুল। তেহরানের দাবি, সেই বিস্ফোরণে অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে যার মধ্যে অধিকাংশই শিশু। তবে কোন দেশের হামলায় এই ঘটনাটি ঘটেছে তা এখনও স্পষ্ট না। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে দাবি এক আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার। আর সেই তদন্তে আমেরিকার বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি সূত্রের। অর্থাৎ, আমেরিকাই বোমা ফেলেছে ইরানের স্কুলে। যদিও হোয়াইট হাউসের তরফে এখনও এ বিষয়ে মন্তব্য করা হয়নি।
জানা যাচ্ছে, আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর ইরানে মেয়েদের স্কুলে হামলার তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চায়নি ট্রাম্প প্রশাসন। এই অবস্থায় নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক মার্কিন আধিকারিক ওই সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তের পর ইরানে মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলার ঘটনায় আমেরিকার নামই উঠে আসছে। তবে কী ধরণের বোমা স্কুলটির উপর নিক্ষেপ করা হয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট না। তদন্ত শেষ হলে তা বোঝা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে আমেরিকার হামলা বলে মনে হলেও তদন্ত শেষে সেই অভিযোগের তীর ঘুরে যেতেও পারে। ফলে সেই সম্ভবনা যা রয়েছে, তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের দূত আলি বাহরেইনি স্কুলে ১৫০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি গণ-কবরের একটি ছবিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে ছোট শিশুদের জন্য আকারে ছোট কবর খোঁড়া হয়েছে। আর সেই ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ আসতেই গোটা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছে।