দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগেই ফের হরমুজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ইরান। সে দেশের সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আমেরিকা তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। মার্কিন নৌবহর ইরানের বিভিন্ন বন্দর এবং সেখান...
দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগেই ফের হরমুজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ইরান। সে দেশের সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আমেরিকা তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। মার্কিন নৌবহর ইরানের বিভিন্ন বন্দর এবং সেখান থেকে যাতায়াতকারী জাহাজগুলির ওপর নৌ অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণ উল্লেখ করেই ফের হরমুজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান হয়েছে।
অন্যদিকে হরমুজে মার্কিন সেনার তরফে নৌ-অবরোধ চলবে বলে গতকালই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। আর তার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পাল্টা হরমুজে বন্ধ রাখার ঘোষণা করল তেহরান। সে দেশের সামরিক কমান্ডের বিবৃতি অনুযায়ী, 'যতক্ষণ না ইরানে আগত সকল জাহাজের চলাচলের স্বাধীনতা আমেরিকা দিচ্ছে, ততক্ষণ হরমুজ প্রণালীর জাহাজ চলাচল কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে।'
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ইজরায়েল-লেবাননের যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তারপরেই হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া নিয়ে সমাজমাধ্যমে জানিয়েছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি ওই পোস্টে জানিয়েছিলেন, ইজরায়েল ও লেবাননের সংঘর্ষবিরতি যত দিন চলবে, তত দিন হরমুজ প্রণালীও খোলা থাকবে। তবে তার পরেই ট্রাম্প জানান, আমেরিকার নৌবাহিনী হরমুজে যে অবরোধ শুরু করেছে, তা এখনই থামছে না। অর্থাৎ, ইরানের বন্দর থেকে আসা এবং সে দিকে যাওয়া জাহাজগুলিকে হরমুজে আটকাবে আমেরিকা। আর ট্রাম্পের সেই ঘোষণার পরেই বেঁকে বসে ইরান। তবে শেষ পর্যন্ত ফের একবার হরমুজ স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল এবং গ্যাসের দাম বাড়তে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।