পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি মেনে চলতে হবে ভারতকে। সোমবার এই মর্মেই রায় দিয়েছে হেগের আন্তর্জাতিক শালিসী আদালত। যদিও সেই রায়কে গুরুত্ব দিতে নারাজ নয়া দিল্লি। উল্টে আন্তর্জাতিক শালিসী আদ...
পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি মেনে চলতে হবে ভারতকে। সোমবার এই মর্মেই রায় দিয়েছে হেগের আন্তর্জাতিক শালিসী আদালত। যদিও সেই রায়কে গুরুত্ব দিতে নারাজ নয়া দিল্লি। উল্টে আন্তর্জাতিক শালিসী আদালতের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্র। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সাফ বক্তব্য, দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ওপর চাপ সৃষ্টি করার ক্ষমতা হেগের নেই।
পাকিস্তানের সঙ্গে কোনকালেই সম্পর্ক মধুর না ভারতের। তিক্ততা আরও বেড়েছে পহেলগাঁও হামলার পর থেকে। সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রেখেছে দিল্লি। যার ফলে জলাভাবে ধুঁকছে পাকিস্তান। এরপরেই 'নালিশ' জানাতে বিশ্বের প্রাচীনতম আন্তর্জাতিক শালিসি আদালতের দ্বারস্থ হয় শাহবাজ সরকার। সোমবার ওই আদালত জানায়, চুক্তি বাতিল বা স্থগিত করার কোনও যুক্তিযুক্ত কারণ ছিল না ভারতের কাছে। উপমহাদেশের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তিটি এখনও পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। কারণ বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত চুক্তিটি একতরফা ভাবে বাতিল বা স্থগিত করার ক্ষমতা নেই ভারতের।
অন্যদিকে হেগের সেই রায়কে গুরুত্ব না দিয়ে পাল্টা ভারতের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানান হয়েছে, 'আদালতের রায়ের কোনও প্রভাব ভারত সরকারের পদক্ষেপের উপর পড়বে না। সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতই রাখা হবে।' দিল্লির সাফ কথা, ‘অবৈধ ভাবে গঠিত ওই সংস্থার কথার কোনও মূল্য নেই।’