এবার মার্কিন হামলার পাল্টা প্রত্যাঘাত করল ইরান। উত্তর উপসাগরীয় এলাকায় একটি মার্কিন পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি একাধিক সংবাদমাধ্যমের। হামলার পর তেহরান...
এবার মার্কিন হামলার পাল্টা প্রত্যাঘাত করল ইরান। উত্তর উপসাগরীয় এলাকায় একটি মার্কিন পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি একাধিক সংবাদমাধ্যমের। হামলার পর তেহরানের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর আগুন ধরে গিয়েছে মার্কিন পণ্যবাহী জাহাজটিতে। তবে ঘটনায় এখনও কোন হতাহতের খবর মেলেনি। পাশাপাশি হামলা নিয়ে কোনও বিবৃতিও দেওয়া হয়নি ওয়াশিংটনের তরফে।
বুধবার ভোরে ভারত মহাসাগরে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে ইরানের একটি রণতরী ধ্বংস করে আমেরিকার ডুবোজাহাজ। সেই টর্পেডো হামলায় কার্যত লন্ডভন্ড হয়ে যায় ইরান সেনার জাহাজটি। পরে শ্রীলঙ্কা নৌসেনার তৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্থ জাহাজ থেকে ৩২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহ উদ্ধার হয় ৮৭ জনের। তবে এখনও ৬০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর সূত্রের। অন্যদিকে সেই মার্কিন হামলার পরেই আমেরিকাকে 'পস্তাতে' হবে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। আর সেই হুঁশিয়ারির ২৪ ঘন্টার মধ্যেই 'অ্যাকশন' নিল তারা।
উদ্ভুত এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের আরও একটি রণতরী ভারত মহাসাগরে হয়ে তেহরানের দিকে রওনা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এই জাহাজটিও কি মার্কিন সেনার লক্ষ্য হবে? যদি সত্যিই তেমন হয় তাহলে উত্তেজনা বাড়বে বই কমবে না। তবে প্রথম হামলার থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বিতীয় জাহাজটিকে শ্রীলঙ্কার উপকূলে জরুরি ভিত্তিকে নোঙর করতে চেয়ে লঙ্কা সরকারের সাহায্য চেয়েছে তেহরান। তবে সেই অনুমতি মিলেছে কিনা, তা এখনও জানা যায়নি। এই বিষয়ে শীর্ষ স্তরে বৈঠক করছে শ্রীলংকা।