মৃত্যুপুরী নেপাল। কাদা মাটির তাল ঘেঁটে এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। এর মধ্যেই হড়পা বানের রবলে পড়া একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হল একসঙ্গে ২া৩ জনের মৃতদেহ। উদ্ধারকারি দলের প্রাথমিক অনুমাণ, মৃতেরা সম্ভবত একই বাড়ির...
মৃত্যুপুরী নেপাল। কাদা মাটির তাল ঘেঁটে এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। এর মধ্যেই হড়পা বানের রবলে পড়া একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হল একসঙ্গে ২া৩ জনের মৃতদেহ। উদ্ধারকারি দলের প্রাথমিক অনুমাণ, মৃতেরা সম্ভবত একই বাড়ির সদস্য়। ফলে সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা প্রায় হাজার ছুঁয়ে ফেলেছে। অন্য়দিকে নিখোঁজ প্রায় চার হাজার।
নেপাল দুর্যোগের পর কেটে গিয়েছে প্রায় ৬ দিন। বর্তমানে চারিদিকে কেবল ধ্বংস, মৃত্যু, হাহাকার। কেউ বাড়িঘর হারিয়েছে। কেউ পরিজন। কোনও ক্ষেত্রে আবার বাড়ি বা পরিজন কেউই নেই। রাক্ষুসে হড়পা বান গিলে খেয়েছে সব। অন্যদিকে প্রচুর রাস্তা এবং সেতু ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে পৌঁছনোই উদ্ধারকারীদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে হড়পা বানের সতর্কতা জারি করেছে চিন। ফলে এক দুর্যোগ সামলে ওঠার আগেই নতুন প্রলয়ের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে সেখাকার মানুষ।
নেপালের স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, হড়পা বানের জেরে ত্রিশুল এলাকায় একটি সুড়ঙ্গে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ১০০ জন কর্মী আটকে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই তাকে উদ্ধার করতে সুড়ঙ্গে পাইপ ঢুকিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে নেপালি সেনা। তবে একটানা বৃষ্টিপাত এবং নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৯৩৩ জন কর্মী এখনও নিখোঁজ।
অন্যদিকে যে দেহ গুলো উদ্ধার করা হচ্ছে, সেগুলি এতটাই বিকৃত যে তা শনাক্ত করতে কালঘাম ছুটছে প্রশাসনের। বিভিন্ন কারণে দেহগুলি বিকৃত হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, পোখরার হাসপাতালে একটি দেহকে তিন পরিবার নিজেদের বলে দাবি করেছে। ফলে দেহ শনাক্ত করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়াটাও অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।