মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিরতি কি আদৌ সম্ভব? আমেরিকার সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ এই প্রশ্নকেই প্রকট করছে। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে আরও একটি মার্কিন রণতরী পাঠান হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়।...
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিরতি কি আদৌ সম্ভব? আমেরিকার সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ এই প্রশ্নকেই প্রকট করছে। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে আরও একটি মার্কিন রণতরী পাঠান হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। সঙ্গে আরও ৯০টি যুদ্ধবিমান এবং ৫০০০ সেনা যুদ্ধবিধস্থ এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বলেও খবর।
ইউএসএস বুশ হল মার্কিন নৌসেনার সুপার ক্যারিয়ার। ২০০৯ সালে এটিকে মার্কিন সেনার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটিকে ফ্লোটিং এয়ারবেস বা ভাসমান বায়ুসেনাঘাঁটিও বলা হয়। এই রণতরী থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও নির্ভুল বিমান হামলা চালানো যেতে পারে। এই রণতরী পরমাণু শক্তিতে চলে। ফলে জ্বালানি ভরার কোনও প্রয়োজন না থাকায় এটি টানা কয়েক বছর সমুদ্রে সফর করতে পারে।
জানা যাচ্ছে, এই রণতরীর ওজন এক লক্ষ ২ হাজার টন। দৈর্ঘ্য ১০৯২ ফুট। যা ৬০-৯০টি যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টার বহন করতে পারে। জলপথে প্রায় ৩০ নটিক্যাল মাইল গতিবেগে চলতে সক্ষম। এই রণতরীর বিশেষত্ব হল, এটিতে দুটি এ৪ডব্লিউ পরমাণু রিয়্যাক্টর রয়েছে। যার ফলে এটি ২০-২৫ বছর পর্যন্ত কোনও জ্বালানি ছাড়াই চলতে পারে।
বলে রাখা ভালো, এর আগে পশ্চিম এশিয়ায় আরও দুটি মার্কিন রণতরী পাঠিয়েছিল আমেরিকা। সেই দুটি হল ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন, এবং ইউএসএস গেরাল্ড আর ফোর্ড। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ল ইউএসএস বুশের। ফলে যুদ্ধবিরতি এবং দ্বিতীয় বৈঠক শেষপর্যন্ত কোনদিকে মোর নেবে তা নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।