অন্তর্বর্তী সরকারের তত্ত্বাবধানে বৃহস্পতিবার নেপালে সাধারণ নির্বাচন শুরু হয়। আজ সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল ৫টা নাগাদ (স্থানীয় সময় অনুযায়ী)। এদিন মোট ২৭৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। যার প্রতি...
অন্তর্বর্তী সরকারের তত্ত্বাবধানে বৃহস্পতিবার নেপালে সাধারণ নির্বাচন শুরু হয়। আজ সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল ৫টা নাগাদ (স্থানীয় সময় অনুযায়ী)। এদিন মোট ২৭৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। যার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৬৫টি রাজনৈতিক দল।
গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জেন-জি বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে ভারতের পড়শী দেশ নেপাল। বাংলাদেশের মত সেখানেও ছাত্র আন্দোলনের জেরে পতন ঘটে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সরকারের। এরপর উত্তেজনার মধ্যেই সে দেশের অন্তর্বর্তী প্রধান হিসেবে মনোনীত করা হয় সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সুশীলা কার্কী'কে। এই অবস্থায় বিভিন্ন স্তরে আলাপ-আলোচনা শেষে ৫ মার্চ অর্থাৎ আজ পার্লামেন্ট নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয় নেপালে। গত ২০ জানুয়ারি থেকে মনোনয়ন জমা নেওয়া শুরু হয়েছিল। শেষ তারিখ ছিল ২৩ জানুয়ারি।
অন্যদিকে ২০১৫ সালের নতুন সংবিধান অনুযায়ী নেপালে একটি মিশ্র নির্বাচনী ব্যবস্থা রয়েছে। যার প্রথম পদ্ধতিটি প্রত্যক্ষ নির্বাচন বা 'ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট', যেখানে যে প্রার্থী সর্বাধিক ভোট পান— তিনিই আসনটিতে জয়ী হন। আর দ্বিতীয়টি হল পরোক্ষ নির্বাচন। অর্থাৎ, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি বা 'পিআর', এতে একটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত হিসাব করে সংশ্লিষ্ট দলের মনোনীত প্রার্থীদের 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস'-এর সদস্য পদ দেওয়া হয়।
আজকের নির্বাচনে ৬৫টি দলের মধ্যে ভোটযুদ্ধ হলেও মূলত চারটি দল রয়েছে শীর্ষ তালিকায়। এই দলগুলি হল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল, আর এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহাল ওরফে প্রচণ্ডর নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি, গগনকুমার থাপার নেপালি কংগ্রেস এবং বলেন্দ্র শাহ-র রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি। তবে এই চার রাজনৈতিক দলের মধ্যে শেষ হাসি কে হাসবে, তা নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে জল্পনা।