আপাতত স্বস্তি। এখনই খালি করতে হবে না অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস। সম্প্রতি ওই অফিস খালি করতে হবে নোটিশ দিয়েছিল দমকল। জানান হয়েছিল, ওই অফিসের অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থায় অসংখ্য ত্রুটি ধরা পড়েছে। তাই জন...
আপাতত স্বস্তি। এখনই খালি করতে হবে না অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস। সম্প্রতি ওই অফিস খালি করতে হবে নোটিশ দিয়েছিল দমকল। জানান হয়েছিল, ওই অফিসের অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থায় অসংখ্য ত্রুটি ধরা পড়েছে। তাই জনগণের স্বার্থে অফিস খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আজ, শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলা হাইকোর্টে ওঠে শুনানির জন্য। সেই মামলায় বিচারপতি কৃষ্ণ রাও দমকল বিভাগের দেওয়া নোটিশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এই মামলায় রায় দেবেন বিচারক।
তবে দফতর খালি না করলেও সেখানে কোনও রকম কাজ করা যাবে না জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীরা। তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক কুমার নাগ জানিয়েছিলেন, গত ২৫ অগস্ট ৯, ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম এবং অষ্টম তলায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার নোটিস দেয় বাড়ির মালিক। সেই নোটিসে স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্ট। সেই আবহেই দমকলের তরফে জানানো হয়, পর্যাপ্ত রক্ষণাবক্ষণের অভাবে জায়গাটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় আছে। ফলে ওই ভবনের ভিতরে ও আশেপাশের মানুষের জীবনে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই অবলিম্বে ভবনের ওই অংশটি খালি করার নির্দেশ দেয় দমকল। নতুন করে শংসাপত্র না পাওয়া পর্যন্ত ওই জায়গা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগেও অভিষেকের ওই দফতরকে কেন্দ্র করে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা সেখানে গিয়ে একটি বিলবোর্ড খুলে এসেছিলেন। অভিযোগ ছিল, ওই বিলবোর্ডটি 'অবৈধ'। সেই সময়েও পুলিস ও পুর কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিল অভিষেক অনুগামীরা। অশান্তিতে নাম জড়িয়েছিলে ডেরেক ও'ব্রায়েন এবং অভিষেকের। এছাড়াও উপস্থিত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু হয়েছিল থানায়। পরে সেই মামলার জল গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত। এমতাবস্থায় দমকল বিভাগের নির্দেশে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে সাংসদের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে। শেষপর্যন্ত ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট কী নির্দেশ দেয়, এখন সেই দিকেই নজর রয়েছে সবার।