দীর্ঘক্ষণ জেরার পর অবশেষে বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার'কে গ্রেফতার করল ইডি। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ তাঁকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই জয়কে জেরা করেন ইডি আধিকারিকরা।...
দীর্ঘক্ষণ জেরার পর অবশেষে বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার'কে গ্রেফতার করল ইডি। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ তাঁকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই জয়কে জেরা করেন ইডি আধিকারিকরা। এরপর বিকেল ৫টা নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর সূত্রের।
অভিযুক্ত জয় কামদার প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও একাধিকবার তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডির গোয়েন্দরা। সেই সময় তাঁর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করেছিল তারা। পরে তাঁকে দুবার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা বললেও সেই হাজিরা এড়িয়ে যান ব্যবসায়ী। মূলত কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশির সূত্র ধরেই এই জয়ের হদিশ পান গোয়েন্দারা। ঘটনাক্রমে আজ, রবিবার বেহালায় প্রোমোটারের বাসভবনে হানা দেয় ইডি-র একটি দল। বেশ কিছু ক্ষণ তল্লাশির পর জয়কে আটক করেন তারা। পরে বিকেল ৫টা নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রসঙ্গত, আজ জয়ের বাসভবন ছাড়াও কলকাতা পুলিসের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল ইডির আধিকারিকরা। সেখানেও দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালান হয়েছিল। এই শান্তনু একসময় কালীঘাট থানার ওসি ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে দুর্নীতিমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে খবর ইডি সূত্রে।