বঙ্গবিভূষণ সম্মান হাতছাড়া হওয়ার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ভোলবদল। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে কেড়ে নেওয়া হল তাঁর বঙ্গবিভূষণ সম্মান। আর তার ঠিক কয়েকঘণ্টার মধ্যেই সুরনরম, সোশ্যাল মি...
বঙ্গবিভূষণ সম্মান হাতছাড়া হওয়ার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ভোলবদল। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে কেড়ে নেওয়া হল তাঁর বঙ্গবিভূষণ সম্মান। আর তার ঠিক কয়েকঘণ্টার মধ্যেই সুরনরম, সোশ্যাল মিডিয়ায় অবশেষে ক্ষমা চাইলেন রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ নগেন্দ্রনাথ রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ। বললেন, ‘নেতাজি সম্পর্কে আমার অনিচ্ছাকৃত কিছু বক্তব্যের জন্যে কেউ যদি মানসিকভাবে আঘাত পেয়ে থাকেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’
নেতাজিকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্যের জেরে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় কোচবিহার-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরপরই স্বঘোষিত এই মহারাজের বিরুদ্ধে কোচবিহার জেলা পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে অভিযোগ রুজু করা হয়েছে এবং কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, দেশনায়ককে নিয়ে কোনওরকম অবমাননা বরদাস্ত করা হবে না।
কোচবিহার জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই রাতারাতি ভোলবদল করেন নগেন্দ্রনাথ রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ। আইনি পদক্ষেপের জেরে বিপাকে পড়ে অবশেষে একটি ভিডিও বার্তায় মাথা নত করে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন তিনি।
নিজের ভুল স্বীকার করে ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, "নেতাজির প্রতি সম্মান জানিয়ে বলছি, নেতাজি সম্পর্কে আমার অনিচ্ছাকৃত কিছু বক্তব্যের জন্য কেউ যদি মানসিকভাবে আঘাত পেয়ে থাকেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।" সব মিলিয়ে, দেশনায়ককে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে আইনি বিপাকে পড়ে শেষমেশ জনসমক্ষে ক্ষমা চাইলেন স্বঘোষিত মহারাজ নগেন্দ্রনাথ রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ।