সামনেই পুজো। লোকজন এখন হুড়মুড়িয়ে ছুটবে শহরের বড় বড় শপিং মলে। তাই আগেভাগেই তৎপর হল পুলিস ও দমকল। কলকাতার একাধিক অভিজাত শপিং মলে শুরু হল বিশেষে অভিযান। ইতিমধ্যেই সাউথ সিটি মল, অ্যাক্রোপলিস মলের মতো শপিং...
সামনেই পুজো। লোকজন এখন হুড়মুড়িয়ে ছুটবে শহরের বড় বড় শপিং মলে। তাই আগেভাগেই তৎপর হল পুলিস ও দমকল। কলকাতার একাধিক অভিজাত শপিং মলে শুরু হল বিশেষে অভিযান। ইতিমধ্যেই সাউথ সিটি মল, অ্যাক্রোপলিস মলের মতো শপিং মলগুলিতে হানা দিয়েছে পুলিস ও দমকল বাহিনী। খতিয়ে দেখা হচ্ছে হাউসগুলির অগ্নি-সুরক্ষা বিধি ব্যবস্থা। কাগজপত্র সব ঠিক আছে কিনা, তাও দেখে রাখছেন আধিকারিকরা। আপাতকালীন কোনও পরিস্থিতিতে পালিয়ে বাঁচার জন্য সিঁড়ির ব্যবস্থা আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
টেনেটুনে আর এক মাস বাকি পুজোর। স্বাভাবিকভাবেই এই সময় থেকে ভিড় বাড়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ ও শপিং মলগুলোতে। এই অবস্থায় জনগণের সুরক্ষার কথা ভাবতে আগে থাকতে ব্যবস্থা নিল প্রশাসন। যাচাই শুরু হল বড় বড় হাউসগুলোর অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থার। ঠিকমত কাজ করে ফায়ার এল্যার্ম? খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাও। যেসব মলে রেস্তোরাঁ বা ফুড কোর্ট রয়েছে সেগুলিতে সুরক্ষা ব্যবস্থা কেমন, তাও ঘুরে দেখছেন দমকল আধিকারিকরা। সূত্রের খবর আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ অভিযান।
প্রসঙ্গত, শহরের বুকে ঘটে যাওয়া একের পর দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার পুজোর আগে থেকেই এই অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দমকল ও পুলিস। সম্প্রতি নিউ মার্কেট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর সামনে এসেছিল সেখানকার বাকি হোটেল গুলোর অচলাবস্থা। অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা তো দূর, ছিল না আগুন নিয়ন্ত্রণের ন্যূনতম সামগ্রী। সেই ঘটনায় অভিযানে নেমে এখনও পর্যন্ত শহরের ৯১৯ হোটেল-গেস্ট হাউসের লাইসেন্স স্থগিত রেখেছে নবান্ন। এই আবহেই দমকলের নতুন অভিযান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।