আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীর হত্যাকাণ্ডের নয়া মোড়। ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় এক নিরাপত্তরক্ষীকে। ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্য়ে খুনের অভিযোগ স্বীকার করা তাকে গ্রেফতার করে পুলিস। এবার তারই মোবা...
আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীর হত্যাকাণ্ডের নয়া মোড়। ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় এক নিরাপত্তরক্ষীকে। ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্য়ে খুনের অভিযোগ স্বীকার করা তাকে গ্রেফতার করে পুলিস। এবার তারই মোবাইল ফোন ঘেঁটে পাওয়া গেল পর্নোগ্রাফির বহু ভিডিয়ো। তবে এখনও পর্যন্ত তার মধ্য়ে নিম্নতর সংকোচ বোধ হয়নি বলে, এমনটাই পুলিস সূত্রে খবর।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্য়ক্তি প্রায়ই হাসপাতালে আসা যাওয়া করত। হাসপাতালে দালাল চক্রে তার যোগ ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। মূলত দু’টি বিষয়ের ভিত্তিতে পুলিস তাকে অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত করেছে। তবে হাসপাতালের কেউ তাকে চেনেনি বলে খবর। শনিবার ধৃত সঞ্জয় রায়কে আদালত তোলার পর ১৪ দিনে পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সঞ্জয় নিজেই পুলিসকে ফাঁসি দেওয়ার কথা বলে। এখন প্রশ্ন উঠছে কীভাবে বহিরাগত দিন এর পর দিন লোক চক্ষুর আড়ালে গিয়ে প্রবেশ করত? নাকি এর নেপথ্য়ে রয়েছে অন্য় কোনও রহস্য়!
পুলিস জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা নাগাদ অভিযুক্তকে প্রথম আর জি হাসপাতালে ঢুকতে দেখা যায়। ভিতরে গিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলে আবার বেরিয়ে যায়। হাসপাতালের বাইরে গিয়ে মদ খায় বলে অভিযোগ। মত্ত অবস্থায় ভোর ৪টে নাগাদ তাকে আবার হাসপাতালে ঢুকতে দেখা যায়। পুলিসের অনুমান তারপরেই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। তখন তরুণী চিকিৎসক সেমিনার হলে ঘুমোচ্ছিলেন বলে পুলিস সূত্রে খবর। আর সেই সময় তাঁর উপর চড়াও হয়ে নৃশংস হত্য়া করা হয় বলে অভিযোগ।
তবে সরাসরি হাসপাতালের কর্মী না হয়েও সেমিনার হলে কীভাবে পৌঁছলেন তিনি? ঘটনার তদন্তে স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম তৈরি করেছে কলকাতা পুলিস। তদন্তে নেমে শুক্রবার রাতেই ওই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিস। জিজ্ঞাসাবাদে খুনের কথা স্বীকার করে নিতেই শনিবার সকালে গ্রেফতার করে। কিন্তু, তিনি হাসপাতালের ভিতরের কর্মী না হয়েও সেখানে পৌঁছলেন কী করে সেই প্রশ্ন উঠছে নানা মহল থেকে। যা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদেরও।