ফের বঙ্গ সফরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের বিরুদ্ধে লাগাতার মিছিল করছে INDIA জোট।আর আজ INDIA জোটের পাল্টা কর্মসূচি করতে ময়দানে নামছে বিজেপি।বিভিন্ন রাজ্য ঘুরে ...
ফের বঙ্গ সফরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের বিরুদ্ধে লাগাতার মিছিল করছে INDIA জোট।আর আজ INDIA জোটের পাল্টা কর্মসূচি করতে ময়দানে নামছে বিজেপি।বিভিন্ন রাজ্য ঘুরে 'লোকতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও' মিছিলের ডাক দিয়েছে বিজেপির শীর্ষনেতারা। সোমে সেই কর্মসূচীতে যোগ দিতেই কলকাতায় আসছেন নিতিন নবীন।পুরভোটের আগে নবীনের নেতৃত্বে মহানগরে মিছিলের কর্মসূচী বিজেপির। দুপুর আড়াইটে নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন তিনি।বেলা ৩টে নাগাদ কলেজস্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বিজেপির এই মিছিল রয়েছে।
পুরভোটের আগে পদ্মশিবিরের এই মেগা কর্মসূচীতে নিতিন নবীনের সঙ্গে পা মেলাছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, শান্তনু ঠাকুর, রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য স্বপন দাশগুপ্ত, দিলীপ ঘোষ, তাপস রায়, অগ্নিমিত্রা পাল, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, দুধকুমার মণ্ডল, অর্জুন সিং, ক্ষুদিরাম টুডু, ইন্দ্রনীল খাঁ, সুমনা সরকার, মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, দীপঙ্কর জানা, উমেশ রাই-সহ মন্ত্রীরা। এছাড়াও রয়েছে সজল ঘোষ, বিজয় ওঝা, রীতেশ তিওয়ারি, পাপিয়া অধিকারী, শর্বরী মুখোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, দেবাশীষ ধর, শঙ্কর শিকদার, কৌস্তভ বাগচী, রাজেশ কুমার, দেবদাস মণ্ডল, শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়, পীযূষ কানোরিয়া, তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, বিমান ঘোষ, সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিম ঘোষ – সহ বিধায়কদেরা।পাঁচ রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিজন গোস্বামী, শশী অগ্নিহোত্রী, সৌমিত্র খাঁ সহ বিভিন্ন পদাধিকারীদের থাকার কথা।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার রামলীলা ময়দান থেকে ফের ভোটচুরি নিয়েও সরব হয়েছিলেন মমতা। অন্যদিকে বিরোধী মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস যে যুব সমাজের বড় বিরোধী নয় সেই বার্তাও দিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। পাশাপাশি রাহুল দাবি করেছিলেন যে, তিনি গণতন্ত্র ও সংবিধানকে নষ্ট হতে দেবেন না, এমনকি আদানির হাতে বিজেপি দেশকে বিক্রি করে দিয়েছে এ নিয়েও একাধিক অভিযোগ করেন। আজকে পদ্মশিবির 'লোকতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও' কর্মসূচী থেকে কী বার্তা দেয় সেই দিকেই নজর বঙ্গবাসীর।