আমিষ-নিরামিষ বিতর্কে সরগরম রাজ্য। ইতিমধ্যেই শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা এই ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। দূর্গা পুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে বিজেপির যে মাথাব্যথা নেই তা সাফ বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। এই অব...
আমিষ-নিরামিষ বিতর্কে সরগরম রাজ্য। ইতিমধ্যেই শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা এই ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। দূর্গা পুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে বিজেপির যে মাথাব্যথা নেই তা সাফ বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। এই অবস্থায় বাংলার পুজো ও ঐতিহ্য নিয়ে মুখ খুললেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যভেদে দুর্গাপুজোর সংস্কৃতি আলাদা। তাই খাওয়া-দাওয়ার রীতিও আলাদা।
সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে বাংলায়। তাঁর মতে, যাঁরা পুজোর সময় আমিষ খাবার খান, তাঁরা ‘পাখণ্ডী’ বা অধার্মিক। ফলে দূর্গা পুজোয় নিরামিষ খাওয়া উচিত বলে নিধান দিয়েছেন তিনি। কিন্তু বাগেশ্বর বাবার সেই নিধান সামনে আসতেই হইচই শুরু হয়েছে রাজ্যে। ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, 'নবমীর দিন বাঙালি সাধারণত পাঁঠার মাংস খায়। অষ্টমীর দিন লুচি খায়। তো সেটাই খাবে।' ফলে পুজোর সাথে বাঙালির রসনা তৃপ্তির যে কোনও সম্পর্ক নেই., তা বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। এবার সেই একই সুরে কথা বললেন অগ্নিমিত্রা।
তাঁর কথায়, 'অন্য রাজ্যে দুর্গাপুজোর সময় দশ দিন যে পুজো হয়, সেখানে অন্য রাজ্যের অনেকে নিরামিষ খায়। এখন তিনি (বাগেশ্বর বাবা) যদি মনে করে থাকেন যে এখানেও সেই কালচার চলবে, সেটা ভুল। আমরা সারা বছর টাকা জমাই পুজোর চারদিন রেস্টুরেন্টে গিয়ে কব্জি ডুবিয়ে মাংস খাব, ইলিশ খাব বলে। সুতরাং প্রত্যেক রাজ্যের কালচার আলাদা। উনি (বাগেশ্বর বাবা) ওনার মতো করে বলেছেন, যেটা উনি জানেন। সুতরাং আমরা কী খাব, কী পোশাক পরব, কখন বেরব, কখন বাড়ি ঢুকব এটা কেউ বলে দেবে না।' তাঁর সংযোজন, 'রাজনীতির আগুনে আবার রুটি সেঁকবেন না।'