মঙ্গলবার ঝটিকা সফরে উত্তরবঙ্গ গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একাধিক প্রশাসনিক বৈঠক ও পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে সেখানে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। একইসঙ্গে জিটিএ দুর্নীতি নিয়েও বড় বার্তা...
মঙ্গলবার ঝটিকা সফরে উত্তরবঙ্গ গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একাধিক প্রশাসনিক বৈঠক ও পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে সেখানে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। একইসঙ্গে জিটিএ দুর্নীতি নিয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, জিটিএ দুর্নীতিগ্রস্তদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে। পাশাপাশি জিটিএর বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে এদিন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই জিটিএ দুর্নীতি নিয়ে সরব হন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। জিটিএ দুর্নীতির সঙ্গে যারা যুক্ত তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে সরকার। কিছুদিন আগে উত্তরবঙ্গ থেকে এই একই বার্তা দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে জিটিএ-তে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। আজ সেই প্রসঙ্গ তুলেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, '১১ বোর্ডের টাকা নয়ছয় হয়েছে। পাহাড়ে পানীয় জল, শিক্ষক দুর্নীতি থেকে একাধিক দুর্নীতি হয়েছে। টাকা লুট হয়েছে।' তাঁর সংযোজন, 'দুর্নীতির ইস্যুতে তদন্ত হবে। এফআইআরও হবে। গ্রেফতারিও হবে।' শুধু তাই নয়, লুটের টাকা ফেরত নেওয়া হবে। সেই কথাও আজ জোর গলায় জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এখানেই শেষ না। পাহাড়ে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য সরকার ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে বলেও আজ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত বছরও পাহাড়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে এসেছিল। মিরিকে একাধিক বাড়ি ধসে ভেঙে পড়েছিল। নদীর স্রোতে ভেঙে গিয়েছিল একাধিক সেতু। ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল দুধিয়ান সেতু। তাই পাহাড়ের মানুষ ও সেখানকার নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিতে চাইছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, পাহাড়ে সকলে আয়ুষ্মান কার্ড পাবেন। এখন অবধি পাহাড়ে ১২৩ জন রোগী আয়ুষ্মান কার্ডে চিকিৎসা পেয়েছেন। যাদের এই কার্ড হবে না, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার আওতায় আসবেন। সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ চা বাগানও দ্রুত খোলা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।