বুধবার ইডির তলবে সাড়া দিয়ে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহান। সূত্রের খবর, ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। এদিন অভিনেত্রী তথা প্রা...
বুধবার ইডির তলবে সাড়া দিয়ে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহান। সূত্রের খবর, ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। এদিন অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদের সঙ্গে যশ দাশগুপ্ত'কেও দেখা গিয়েছে। এই মামলায় এর আগেও একবার সল্টলেকের দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল নুসরতকে।
সূত্রের খবর, রাজারহাটে প্রবীণ নাগরিকদের ফ্ল্যাট পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। সেই মামলার তদন্ত শুরু করে ইডির আধিকারিকরা। অভিযোগ, যে সংস্থা ফ্ল্যাট তৈরি করেছিল, সেখানকার অন্যতম ডিরেক্টর ছিলেন নুসরত। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, গত কয়েক মাস ধরে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট মামলায় বেশ কিছু নতুন তথ্য হাতে এসেছে তাদের হাতে। তাই এবার সেই সূত্র ধরেই ফের একবার তলব করা হয়েছে নুসরতকে। উল্লেখ্য, কলকাতার সিজিও দফতরের পরিবর্তে দিল্লিতে হাজিরা দিতে চেয়েছিলেন নুসরত। সেই মোতাবেক আর্জিও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষমেশ কলকাতার দফতরের উপস্থিত হন তিনি।
প্রসঙ্গত, এর আগেও ২০২৩ সালে ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় নুসরতকে তলব করেছিল ইডি। প্রায় ৬ ঘন্টা তাঁকে টানা জেরা করা হয়েছিল সেবার। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে এই ফ্ল্যাট প্রতারণার অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। তিনিই ইডির কাছে এই প্রসঙ্গে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছিলেন। বিজেপি নেতার সেই অভিযোগ পত্রে জানান হয়েছিল, ২০১৪-১৫ সালে ৪০০-র বেশি প্রবীণ নাগরিকের থেকে সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা করে নিয়েছিল একটি সংস্থা। তাঁদের এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউই ফ্ল্যাট বা টাকা কিছুই পায়নি। আর সেই সংস্থারই ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরত। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছিলেন অভিনেত্রী।