আলিপুর আদালত সন্দীপকে ৮ দিনের জন্য পুলিসি হেফাজতে কথা জানিয়েছে। এদিন সন্দীপ সঙ্গে গ্রেফতার হয় তাঁর নিরাপত্তারক্ষী আফসর আলি, চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ ব্যবসায়ীক হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসিন্দা বিপ্লব স...
আরজি করে আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয় আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষকে। সোমবার রাতে সন্দীপ সহ গ্রেফতার করা হয় তাঁর দেহরক্ষী আফসার আলি, হাসপাতালের ভেন্ডর সুমন হাজরা এবং বিপ্লব সিংহকে। আজ, মঙ্গলবার নিজাম প্যালেস থেকে আলিপুর সিবিআই বিশেষ আদালতে পেশ করা হয় অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষ সহ চারজনকে। সন্দীপের গাড়ি ঘিরে ওঠে 'চোর-চোর' স্লোগান। সেই অবস্থা পেরিয়ে আদালতে উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
আলিপুর আদালত সন্দীপকে ৮ দিনের জন্য পুলিসি হেফাজতে কথা জানিয়েছে। এদিন সন্দীপ সঙ্গে গ্রেফতার হয় তাঁর নিরাপত্তারক্ষী আফসর আলি, চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ ব্যবসায়ীক হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসিন্দা বিপ্লব সিংহ এবং একটি ওষুধের দোকানের মালিক সুমন হাজরাকে। মূলত আর্থিক দুর্নীতিতে যুক্ত থাকায় এই তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আরজি কর মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে সদ্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়ি-সহ ১৫ জায়গায় তল্লাশিতে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। এরপরই গত মঙ্গলবার আলিপুর কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। আরজি কর মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং ৩ টি সংস্থার বিরুদ্ধে আলিপুর সিবিআই বিশেষ আদালতে ইতিপূর্বে এফআইআর জমা করে সিবিআই। আলিপুর সিবিআই বিশেষ আদালত সেটি গ্রহণ করে।
আরজি করে চিকিৎসক তরুণীর হত্যাকাণ্ডে ১৫ দিন টানা সিবিআই জেরার পর সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় সন্দীপ ঘোষকে। ধর্ষণ-খুনে নয়, আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দীপকে। সোমবারও তাঁকে তলব করা হয় সিজিও কমপ্লেক্সে। সেখান থেকে তাঁকে নিজ়াম প্যালেসে নিয়ে যান সিবিআই অফিসারেরা। তার পরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়, গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দীপকে।