রাজ্যে পালাবদলের পর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে 'বিশ্বাস ব্রাদার্সের' সাম্রাজ্য। একদিকে মেসিকাণ্ডে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে পুলিসের নোটিস-তলব। অন্যদিকে গ্রেফতার তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। সুরুচি সঙ্ঘে আছড়ে পড়ল রোষ। তবে মেসিকাণ্ডে সাময়িক স্বস্তি
পেলেন তৃণমূল নেতা। শতদ্রু দত্তর অভিযোগের ভিত্তিতে রক্ষাকবচ অরূপকে। এখনই গ্রেফতারির মতো কড়া পদক্ষেপ নয়, নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। বেশ কয়েকটি শর্ত দেওয়া হয়েছে।
শর্ত..
১.তদন্তে সাহায্য করতে হবে। নোটিশ দিলে যেতে হবে অরূপ বিশ্বাসকে।
২.পুলিস সময় দিয়ে নোটিশ দেবে। অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে।
৩. নিম্ন আদালতে পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে অরূপ বিশ্বাসকে। কলকাতা ছাড়া যাবে না অনুমতি ছাড়া।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার অরূপ বিশ্বাসকে থানায় তলব করা হলেও, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা দেননি তিনি। এই অবস্থায় রবিবার তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় নিউ আলিপুর থানার পুলিস। পুলিস আধিকারিকদের প্রতিবেশীরা জানান, বাড়িতে কেউ নেই। বেশ
কিছুক্ষণ ডাকাডাকির পরও কেউ সাড়া দেননি। শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসের বাড়ির দরজায় নোটিস টাঙিয়ে দেয় পুলিস।
যুবভারতীতে লিয়োনেল মেসির অনুষ্ঠানের আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে দিন কয়েক আগে এফআইআর দায়ের করে পুলিস। অরূপ-সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন শতদ্রু। অরূপদের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি ধারায় এফআইআর হয়। সেগুলি
হল— অভিন্ন উদ্দেশ্য ৩(৫), তোলাবাজি ৩০৮(২), প্রতারণা ৩১৮(৪), অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন ৩৫১(২) এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ৬১(২)। সেই এফআইআরের পরই যুবভারতী কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীকে তলব করেছিল পুলিস।