নকার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে পাগলা নিতাই। বিড়বিড় করে কিছু বলে যাচ্ছে। পাড়ার গজা দার ইচ্ছে হল পিছনে লাগার। বলল আরে নিতাই দা এবারে অষ্টম বামফ্রন্ট সরকার হচ্ছে তো? খেপে গেল নিতাই পাগলা। চেঁচিয়ে বলে উঠল...
নকার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে পাগলা নিতাই। বিড়বিড় করে কিছু বলে যাচ্ছে। পাড়ার গজা দার ইচ্ছে হল পিছনে লাগার। বলল আরে নিতাই দা এবারে অষ্টম বামফ্রন্ট সরকার হচ্ছে তো? খেপে গেল নিতাই পাগলা। চেঁচিয়ে বলে উঠল অষ্টম বামফ্রন্ট সরকার এবার হোক বা পঞ্চাশ বছর পরে হোক বামপন্থীদের যায় আসে না। নিজেদের কথা ভাবো। একটু এপাশ ওপাশ হলেই তো ফুল বদলের চিন্তা মাথায় ঢোকে। নিতাই দা বামপন্থী। ডাস ক্যাপিট্যাল পড়েনি।
দ্য স্টেট অ্যান্ড রিভোলিউশন নামটাও শোনেনি নিশ্চিত। চারু মজুমদারকে চেনে। কানু সান্যালের নামে হাত মুঠো বন্ধ করে। নিতাই পাগলা এখনও শোধনবাদী হয়ে উঠতে পারেনি। তবে বন্দুকের নলকে শক্তির উৎস মনে করে না। বিড়বিড় করে বলে, বন্ধুক না, বন্ধুক না। এবারে ভোট মোটামুটি ভাবে শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী কারও চোখে সদা জাগ্রত কেউ বা বলছে অতি সক্রিয়। চাণক্য, পিপলস পালস, পোল ডায়েরি, জনমত প্রায় প্রত্যেকেই টাফ ফাইটের কথা বলছে দুই ফুলের মধ্যে। কোথাও এগিয়ে জোড়া ফুল।
কেউ এগিয়ে রাখছে পদ্মকে। বাম সহ বিজেপি বিরোধী যে শক্তিগুলি আছে তারা শূণ্য থেকে দুই ডিজিটে গেলেই অনেক। কলতানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন অভয়ার মা। ভিন্নমত জনমানসে। দীপ্সিতা কিংবা মীনাক্ষীকে যদি কেন্দ্র বদলানো যেত তাহলে বোধহয় বামেদের লাভ হত বলছেন বিজ্ঞজনের একাংশ। প্রতীকুরকে নিয়ে জল ঘোলা হয়েছে, আবারও হবে। বর্তমানে নওসাদ ধামাকা প্যাকেজ।ভাঙরে রীতিমত ভাইরাল সওকত মাছ চোর। আপাতত কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। ফল প্রকাশ পর্যন্ত থাকবে। নিতাই রক্ত চায় না। নিতাই কঙ্কাল চায় না। লাল মানে রক্ত এমনটাতো মানে নেই। লাল মানে হোক না কৃষ্ণচূড়া কিংবা ভোরের সূর্য। নিতাই পাগলা নতুন সকালের স্বপ্ন দেখে। সে সকাল বন্ধুকের নলের ডগায় আসবে না। আসবে সোহাগ চেয়ে মায়ের আঁচল টেনে ধরা এক শিশুর কান্নায়।