প্রকাশ্য রাস্তায় স্বর্ণব্যবসায়ী খুনে অভিযুক্ত বিডিও, প্রশান্ত বর্মণের 'দাদাগিরি'। সোমবার রাতে নিউটাউনে এক পথচারীকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। কিন্তু তার পরেও কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই ...
প্রকাশ্য রাস্তায় স্বর্ণব্যবসায়ী খুনে অভিযুক্ত বিডিও, প্রশান্ত বর্মণের 'দাদাগিরি'। সোমবার রাতে নিউটাউনে এক পথচারীকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। কিন্তু তার পরেও কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই অভিযুক্তের। উল্টে নিজের 'প্রভাবশালী' তত্ত্ব খাটানোর চেষ্টা করেন তিনি। দুর্ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ ছিলেন বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই গতকাল রাতের এই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। যেখানে অভিযুক্ত বিডিও-কে একাধিকবার অসংলগ্ন কথা বলতে দেখা গিয়েছে।
পুলিস সূত্রে খবর, গতকাল রাতের এই ঘটনার পর প্রশান্তের 'ব্রিদ অ্যানালাইজার টেস্ট' করতে চেয়েছিল পুলিস। কিন্তু রাজি হননি প্রশান্ত। এমনকি জোরাজুরি করলে পুলিসকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। পরে ওই পরীক্ষা না করেই প্রশান্তকে আটক করে পুলিস। এরপর মঙ্গলবার ভোরের দিকে তাঁকে ইকো পার্ক থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে খবর।
তবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর পর কী করণীয়, তা জানতে বিধাননগর পুলিস কমিশনারেটের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ইকো পার্ক থানার পুলিস।
বলে রাখা ভালো, গত বছরের ২৯ অক্টোবর সল্টলেকের দত্তাবাদে স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। তাঁকে অপহরণ করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় প্রশান্ত বর্মণের। এরপর বারাসত ও বিধাননগর মহকুমা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। সেই আগাম জামিনের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিধাননগর পুলিস। এরপর আগাম জামিনের নির্দেশ খারিজ করে ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তবে তিনি তা না করায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল বিধাননগর আদালত। তারপর থেকেই 'ফেরার' ছিল অভিযুক্ত।