বয়স ৮০ পেরিয়েছে। ভবানীপুর থেকে সল্টলেকে, ন্যায়বিচারের আশায় জনতার দরবারে হাজির বৃদ্ধ প্রবীর মুখোপাধ্যায়। অভিযোগ, প্রোমোটার জয় কামদারের ফাঁদে পড়ে হারিয়েছেন পৈতৃক ভিটে। দীর্ঘ এক বছর ধরে তৈরি ফ্ল্যাটের হ...
বয়স ৮০ পেরিয়েছে। ভবানীপুর থেকে সল্টলেকে, ন্যায়বিচারের আশায় জনতার দরবারে হাজির বৃদ্ধ প্রবীর মুখোপাধ্যায়। অভিযোগ, প্রোমোটার জয় কামদারের ফাঁদে পড়ে হারিয়েছেন পৈতৃক ভিটে। দীর্ঘ এক বছর ধরে তৈরি ফ্ল্যাটের হ্যান্ডওভার পাননি তিনি। উল্টে ফ্ল্যাট নিতে চাওয়ায় অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি। পৈতৃক বাড়ি প্রোমোটিংয়ের জন্য দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় সমস্যা। একের পর এক প্রতিশ্রুতি মিললেও হাতে মেলেনি নতুন ফ্ল্যাটের চাবি। বারবার দরজায় কড়া নেড়েও সাহায্য পাননি প্রশাসন বা স্থানীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে।
প্রবীর মুখোপাধ্যায়ের কথায়, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার বহুবার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সুযোগ মেলেনি। অভিযোগ, প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহার সঙ্গে প্রোমোটার জয় কামদারের সুসম্পর্ক থাকায় কোনও অভিযোগই কার্যকর হয়নি।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে পৌঁছন প্রবীর মুখোপাধ্যায়। পাশে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। একটাই দাবি, শেষ জীবনে মাথার ছাদ ফিরে পাওয়া। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের পর এবার সমস্যার সুরাহা হবে বলেই আশাবাদী বৃদ্ধ ও তাঁর পরিবার।