অসীম সেন: ২০২৬ এর বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বারঘট বসানো হয়ে গিয়েছে। ভিন রাজ্য থেকে পাহারাদার এসে গিয়েছেন। আকাশে হেলিকপ্টর উড়বে। একাধিক নিয়মকানুন লাগু হয়ে গিয়েছে। ভোট প্রার্থীরা লাস্ট মিনিট সাজেশনে চ...
অসীম সেন: ২০২৬ এর বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বারঘট বসানো হয়ে গিয়েছে। ভিন রাজ্য থেকে পাহারাদার এসে গিয়েছেন। আকাশে হেলিকপ্টর উড়বে। একাধিক নিয়মকানুন লাগু হয়ে গিয়েছে। ভোট প্রার্থীরা লাস্ট মিনিট সাজেশনে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছেন। এবারে ভোটে সব দলের তরুণ ব্রিগেডরা যেমন সামনে এগিয়ে এসেছেন। অভিজ্ঞতা নিয়ে বয়স্করাও রয়েছেন মাথার ছাতা হয়ে। ভারতের ইতিহাসের কথা যদি ধরা হয় তাহলে এখন পর্যন্ত সবথেকে বয়স্ক বিধায়ক হলেন কর্ণাটকের কংগ্রেস নেতা শামানুর শিবশঙ্করাপ্পা। ৯২ বছর বয়সে দাভাঙ্গেরে দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে তিনি ষষ্ঠবারের মত বিধায়ক নির্বাচিত হন। বাংলায় এখন পর্যন্ত অনেক বর্ষীয়ান নেতাই বিধায়ক হয়েছেন। শোভনদেব ভট্টাচার্যের বয়স ২০২১ সালে ছিল ৭৭ বছর।
২০২৫ সালের তথ্য অনুসারে বিহারের জনপ্রিয় শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। মাত্র ২৫ বছর বয়সে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। পশ্চিমবঙ্গের শিউলি বিধানসভার নার্গিস বানো মোটামুটি ভাবে বাংলার সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক। ভারতের সর্বপ্রথম ট্রান্সজেন্ডার বিধায়ক হলেন শবনম মৌসি বানো। তিনি ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশের সোহাগপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। পশ্চিমবঙ্গে যদিও এখন পর্যন্ত কোনও ট্রান্সজেন্ডার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হননি। তবে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রিয়া সরকার একজন ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব সামলিয়েছিলেন।
এখন পর্যন্ত কোনও মাওবাদ সমর্থিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নেননি। ব্যতিক্রম ছত্রধর মাহাতো। তাঁর সঙ্গে মাও যোগের দাবি উঠেছে বারবার। ছত্রধর ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন। পরবর্তী কালে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। ভারতের প্রথম মহিলা বিধায়ক হলেন ডঃ মুথুলক্ষ্মী রেড্ডি । ১৯২৭ সালে মাদ্রাজ লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে মনোনীত হন। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা বিধায়ক হলেন রেণুকা রায়। ১৯৫২ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে পশ্চিমবঙ্গের আইনসভার সদস্য হন। ভারতের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুচেতা কৃপালিনী। ১৯৬৩ সালে উত্তর প্রদেশের চতুর্থ মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। আর বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম অবশ্যই বলে দিতে হবে না।