না সোবার্সের খেলা মাঠে গিয়ে দেখার সৌভাগ্য হয় নি। তখন যে বয়স খুব কম। তবে একটি ঘটনা লিখতেই হচ্ছে।সালটা ১৯৬৬র শীতকাল। নতুন বছর আসছে। শুনলাম ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলতে আসছে। তখন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী প্রফ...
না সোবার্সের খেলা মাঠে গিয়ে দেখার সৌভাগ্য হয় নি। তখন যে বয়স খুব কম। তবে একটি ঘটনা লিখতেই হচ্ছে।
সালটা ১৯৬৬র শীতকাল। নতুন বছর আসছে। শুনলাম ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলতে আসছে। তখন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল সেন এবং তাঁর একটা অযোগ্য মন্ত্রীসভা। অন্যদিকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে কমিউনিষ্ট আন্দোলন। ভারতের অধিনায়ক টাইগার পাতৌদি। দলে রয়েছেন জয়সীমা সারদেশাই বোরদে দুরানি ইত্যাদি । অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সোবার্সের দলে কনরাড হান্ট সেমুর নার্স ক্লাইভ লয়েড সহ হল গ্রিফিত ইত্যাদি ভয়ঙ্কররা।
তখন ইডেনে ছিল সিজিন ও ডেইলি টিকিট। ওই ডেলি টিকিটে বিশাল লাইন। রিতিমত মারামারি হচ্ছে লাইনে। এরই মধ্যে পুলিশ লাঠিচার্জ করলো। কিছু মানুষ মাঠে ঢুকলো কিছু বাইরে। জনতা ক্ষেপে আগুন লাগিয়ে দিল। সারা ইডেনের বিভিন্ন প্রান্তে আগুন। তখন দু দলের খেলোয়াড়রা উঠত গ্রেট ইস্টার্ন হোটেলে।
ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা দেখলেন তাঁদের সিকিউরিটি নেই। হল রেড রোড ধরে দৌড়াতে শুরু করলেন সাথে বাকি অনেকেই। স্যার গ্যারি দেখলেন তাদের সম্মিলিত পতাকায় আগুন লেগে যেতে পারে। নার্সকে বললেন ফ্ল্যাগটা নামাও। নামানো হলো। সোবার্স পতাকা বুকে জড়িয়ে দৌরালেন হোটেলের দিকে।
এটাই জাতীয়তাবাদ।