অবশেষে প্রকাশিত হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ১১ পাতার ফর্ম। এই ফর্মে আবেদনকারীর নথি উল্লেখ করার পাশাপাশি পরিবারের সব সদস্যের নথিও উল্লেখ করতে হবে। দেখাতে হবে জমির কাগজ থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের আধার,...
অবশেষে প্রকাশিত হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ১১ পাতার ফর্ম। এই ফর্মে আবেদনকারীর নথি উল্লেখ করার পাশাপাশি পরিবারের সব সদস্যের নথিও উল্লেখ করতে হবে। দেখাতে হবে জমির কাগজ থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের আধার, প্যান, এপিক নম্বর এবং ব্যাঙ্কের যাবতীয় নথি। এই সমস্ত তথ্য জমা দেওয়ার পরে তবেই মিলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা।
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছেন। অনলাইন এবং অফলাইন, দুই ভাবেই পূরণ করা যাবে এই ফর্ম। এই প্রক্রিয়ায় বিধায়কদেরও সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু। গতকালই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মের মাধ্যমেই নাগরিকদের পরিবার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সরকার সংগ্রহ করছে। তাই ফর্মটি দীর্ঘ হয়েছে। ভবিষ্যতে অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের আওতায় আনার জন্যেও এই ফর্মের নথি এবং তথ্য প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
দেখা গিয়েছে ১১ পাতার ফর্মের শুরুতেই আবেদনকারীর পরিবারের প্রধানের নাম নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, আধার নম্বর, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর চাওয়া হয়েছে। একইভাবে পরিবারের বাকি সদস্যদের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেক সদস্যের ভোটার কার্ডের নম্বর, বিধানসভা এবং পার্ট নম্বরও অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে। ডিজিটাল রেশন কার্ড থাকলে সেই সংক্রান্ত তথ্য বিশদে উল্লেখ করতে হবে। পাশাপাশি পাকা বাড়ি আছে কি না, আবেদনকারীর পরিবার কতটা জমির মালিক, মিউটেশন এবং রেজিস্ট্রেশনের নথি-সহ তা ফর্মে উল্লেখ করতে হবে ফর্মে।
গতকালই শুভেন্দু জানিয়েছেন, ১ জুন থেকে আগামী ৯০ দিন পর্যন্ত ফর্ম পূরণ প্রক্রিয়া চলবে। তাই তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। অনেকেই মনে করছেন, যে সমস্ত তথ্য এই ফর্মে চাওয়া হয়েছে, তাতে সকলে নির্বিঘ্নে নিজে থেকে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না। অনেকেই সমস্যায় পড়তে পারেন। সে ক্ষেত্রে বাড়ি বাড়ি সরকারি কর্মচারীদের সহায়তার জন্য পাঠান হবে।