ভোট পর্ব মিটেছে। ফলাফল প্রকাশ হয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রীও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তারপরেও ভোট পরবর্তী হিংসার আতঙ্ক কাটেনি রাজ্যবাসীর মন থেকে। এই অবস্থায় রাজ্যের তিন জেলা থেকে উদ্ধার হল অসংখ্য তাজা বোমা। ক...
ভোট পর্ব মিটেছে। ফলাফল প্রকাশ হয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রীও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তারপরেও ভোট পরবর্তী হিংসার আতঙ্ক কাটেনি রাজ্যবাসীর মন থেকে। এই অবস্থায় রাজ্যের তিন জেলা থেকে উদ্ধার হল অসংখ্য তাজা বোমা। কী উদ্দেশ্যে সেগুলো মজুত করা হয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মনে। শুরু হয়েছে পুলিসি তদন্ত।
জানা যাচ্ছে, নিউটাউন কারীগরী ভবনের পিছনে শনিবার সকালে বস্তা ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই সেখানে পৌঁছায় পোলেরহাট থানার পুলিস এবং টেকনো থানার পুলিস। সূত্রের খবর নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগেও এই এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। এমতাবস্থায় বোমা মজুত রাখার নেপথ্যে তৃণমূল নেতা বাবুসোনা মণ্ডল জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
একইভাবে বালতি ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে নন্দীগ্রামের তেখালি ব্রিজ লাগাওয়া খেজুরির সেরখান চকের ঝোপ থেকে। ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কে স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, আজ সকালে সেখানে এক ব্যক্তি গরু চড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানেই তিনি দুই বালতি ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করেন। এরপর থানায় খবর দেওয়া হলে সেখানে পৌঁছায় খেজুরি থানার পুলিস। পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনীও। ঘটনায় এলাকার তৃণমূল সমর্থকদের দিকে আঙ্গুল তুলেছে বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা গৌরী শংকর দাস, ভোটের ফলাফলের পরে বিজেপি নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ করার জন্য এই বোমা মজুত করেছিল। শুধু বোমা নয় বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ করে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
বোমা উদ্ধার হয়েছে নদীয়া থেকেও। শনিবার সকালে ভীমপুর থানার সান্ধ্য দাসপাড়া এলাকায় এক বৃদ্ধার বাড়ির মিটার ঘর থেকে বোমা উদ্ধার হয়েছে বলে খবর সূত্রের। পরে পুলিসে খবর দেওয়া হলে বোমাগুলো উদ্ধার করে নিয়ে যায় তারা। কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে বোমা গুলো সেখানে রেখেছিল তা এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে খতিয়ে দেখছে ভীমপুর থানার পুলিস।