এলাকায় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছিল মদ, গাঁজা। একাধিকবার পুলিসের কাছে অভিযোগ জানালেও মেলেনি সুফল। পরে এই বিষয়ে এলাকারই এক যুবক প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর চড়াও হয় গাঁজা ব্যবসায়ীরা। এমনকি যু...
এলাকায় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছিল মদ, গাঁজা। একাধিকবার পুলিসের কাছে অভিযোগ জানালেও মেলেনি সুফল। পরে এই বিষয়ে এলাকারই এক যুবক প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর চড়াও হয় গাঁজা ব্যবসায়ীরা। এমনকি যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ। পরে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। গাঁজা-মদের ঠেকে আগুন ধরিয়ে দেন গ্রামবাসীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যেতে হয় পুলিসকে।
জানা যাচ্ছে, ঘটনাটি দেগঙ্গা থানার সুবর্নপুর এলাকার। সেখানে বহুদিন ধরেই রমরমিয়ে মদ ও গাঁজার ব্যবসা চলছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এমনকি সেই নেশায় আসক্ত হচ্ছিল এলাকার নবম-দশম শ্রেণীর স্কুল পড়ুয়ারাও। পাশাপাশি মহিলাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল বলেও অভিযোগ একাংশের। এছাড়াও বেড়েছিল বহিরাগত যুবকদের আনাগোনা। সব মিলিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করেছিল গ্রামবাসী। এমতাবস্থায় একাধিকবার পুলিসের দ্বারস্থ হলেও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের।
এরপর ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় এক যুবক এগিয়ে তাঁর উপর হামলা চালায় গাঁজা ব্যবসায়ীরা। এলোপাথাড়ি মারধর এবং ধারালো অস্ত্রের কোপ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনায় তোজাফ্ফর হোসেন নামে ওই যুবকের নাকে গভীর ক্ষত তৈরি হলে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্বনাথপুর গ্ৰামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাঁকে স্থানান্তর করা হয় বারাসত মেডিক্যাল কলেজে। ঘটনার প্রতিবাদে রাতে মদ, গাঁজার ঠেকে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চাকলা ফাঁড়ির পুলিস। অবিলম্বে এলাকা থেকে এই অবৈধ কারবার বন্ধ করতে হবে বলে পুলিসের কাছে আর্জি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।