বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া প্রথম দফার ভোট মোটের উপর ভালোই হয়েছে। এবার বাকি দ্বিতীয় দফার। তবে এই দফায় সামান্য অশান্তিও চায় না কমিশন। তাই এবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সরোজমিনে নামছেন সিইও মনোজ কুমার আগরও...
বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া প্রথম দফার ভোট মোটের উপর ভালোই হয়েছে। এবার বাকি দ্বিতীয় দফার। তবে এই দফায় সামান্য অশান্তিও চায় না কমিশন। তাই এবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সরোজমিনে নামছেন সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল, বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এবং বিশেষ পুলিস পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র। সূত্রের খবর আরামবাগ, বনগাঁ, ব্যারাকপুর হয়ে সন্দেশখালির একাধিক স্পর্শকাতর জায়গা পরিদর্শন করবেন তাঁরা। লক্ষ্য একটাই, দ্বিতীয় দফার নির্বাচন ১০০% শান্তিপূর্ণ করা।
অন্যদিকে আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট 'ঘটনাবিহীন' করতে রাজ্যে পুলিস পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়াচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, নতুন ১১ জন পুলিস পর্যবেক্ষকে রাজ্যে আনা হচ্ছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যেই তাঁরা রাজ্যে এসে দায়িত্ব নিতে পারেন। আপাতত এই অতিরিক্ত ১১ জন পুলিস পর্যবেক্ষকের জন্য ১১ জন পার্সোনাল সিকিওরিটি অফিসার বা পিএসও চেয়ে রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা মনোজ ভার্মাকে চিঠি দিয়েছে সিইও দফতর। সেই চিঠির একটি কপি দেওয়া হয়েছে কলকাতার পুলিস কমিশনরকেও। পঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ ইত্যাদি ভিনরাজ্যে থেকে পুলিস পর্যবেক্ষকদের মোতায়েন করা হচ্ছে বলে খবর কমিশন সূত্রে।
প্রসঙ্গত, প্রথম দফার ভোটের অনেক আগেই ৮৪ জন পুলিস পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছিল কমিশন। এই ১১ জনকে নিয়ে তা বেড়ে দাঁড়ালো ৯৪। তবে প্রয়োজনে তা 'সেঞ্চুরি' পর্যন্ত হতে পারে বলেও আগাম জানিয়ে রেখেছে কমিশন। প্রথম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেও দ্বিতীয় দফায় কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বাড়তি ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বা বিভিন্ন দলের 'হেভিওয়েট' প্রার্থীরা এই দফার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শহর কলকাতা ছাড়াও ভাঙড়, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা,নদিয়া, হাওড়া, হুগলি ও পুর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথ বা এলাকা রয়েছে যেখানে অশান্তি রুখতে আরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিস বাহিনীকে কজে লাগাতে চায় কমিশন। সেই কারণেই এই অতিরিক্ত ১১ জন বিশেষ পর্যবেক্ষক রাজ্যের বাকি ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ময়দানে নামাতে চাইছে কমিশন।