তিন বছরের বকেয়া বেতন ও কাজে ফেরানোর দাবিতে আমরণ অনশনে চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মীর। জানা গিয়েছে, ফুরফুরার বাসিন্দা কাকুলি ব্যানার্জি ২০০৬ সালে জাঙ্গিপাড়ার মুণ্ডুলিকা গ্রামের উপস্বাস্থ্য কেন্...
তিন বছরের বকেয়া বেতন ও কাজে ফেরানোর দাবিতে আমরণ অনশনে চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মীর। জানা গিয়েছে, ফুরফুরার বাসিন্দা কাকুলি ব্যানার্জি ২০০৬ সালে জাঙ্গিপাড়ার মুণ্ডুলিকা গ্রামের উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চুক্তিভিত্তিক চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী হিসাবে কাজে যোগ দেন ৩১০০ টাকা বেতনে।অভিযোগ, লিখিত অর্ডার ছাড়াই ২০২৩ এর অক্টোবর মাসে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় তাঁর বেতন।
তবে কী কারণে বেতন বন্ধ করা হল, তার কোনও কারণ জানানো হয়নি বলে খবর। এক প্রকার বিনা বেতনে প্রায় আড়াই বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন কাকুলি ব্যানার্জি। বেতন বন্ধের কারণ জানতে একাধিক দপ্তরে লিখিতভাবে জানালেও কোনো সদুত্তর দেয়নি স্বাস্থ্য দপ্তর অভিযোগ কাকুলি ব্যানার্জির। গত ২৮ শে ফেব্রুয়ারি থেকে জাঙ্গিপাড়া গ্রামীন হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সামনে আমরণ অনশনে বসেছেন তিনি। তাঁর দাবি বকেয়া বেতন মেটাতে হবে এবং পুনরায় তাঁকে কাজে নিযুক্ত করতে হবে। দাবি মানা না হলে অনশন চালিয়ে যাবেন।
প্রতিদিন নিয়মিত কাজেও যাচ্ছেন এবং কাজ শেষে আবার জাঙ্গিপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে অনশনে বসছেন। এবিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছেন, উনি সরকারি চাকরি করেন না বা সরকারিভাবেও চুক্তিভিত্তিক কাজ করেন না। এজেন্সির মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক কাজ করতেন। জেলা বা ব্লক স্বস্থ্য দপ্তরের কিছু করার নেই। পদ খালি হলে বিবেচনা করা হবে।