মুর্শিদাবাদের ফরাক্কাতে কংগ্রেস কর্মীর বাড়ির ছাদে পরিত্যক্ত বোমা বিস্ফোরণ। সোমবার সকালে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় ফরাক্কা থানার মানিকনগর এলাকায়। বিস্ফোরণের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পু...
মুর্শিদাবাদের ফরাক্কাতে কংগ্রেস কর্মীর বাড়ির ছাদে পরিত্যক্ত বোমা বিস্ফোরণ। সোমবার সকালে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় ফরাক্কা থানার মানিকনগর এলাকায়। বিস্ফোরণের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিস্ফোরণের জেরে বাড়ির ছাদের পাঁচিলের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে বলে খবর সূত্রের। তবে কীভাবে এই ঘটনা তা জানতে, ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকালে কংগ্রেস কর্মী সাইমুল শেখের বাড়ি আচমকাই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে। পরে জানা যায় বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে সেখানে। অন্যদিকে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরাক্কার সিপিএম প্রার্থী মোজাফফর হোসেনের নিজের কাকার ছেলে এই সাইমুল শেখ। প্রায় একই এলাকায় বাড়ি তাঁদের। আরও জানা যাচ্ছে, এদিন বিস্ফোরণের সময় বাড়িতে রাজমিস্ত্রিরা কাজ করছিলেন। সেই সময় বাড়িতেই ছিলেন কংগ্রেস কর্মী সাইমুল। তখনই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। যার জেরে কার্যত ভেঙে যায় বাড়ির নির্মীয়মান দেওয়ালের একটা বড় অংশ।
এরপরেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফরাক্কা থানার বিরাট পুলিস বাহিনী। যান কেন্দ্রীয়বাহিনীর জওয়ানরাও। দ্রুত এলাকা ঘিরে শুরু হয় তল্লাশি। আরও কোনও বোমা যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে কিনা, তার খোঁজে শুরু করে বাহিনী। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, ভোট আবহে কোনও হিংসামূলক কাজ করার জন্যই কি ওই বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল বাড়িতে? নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে তা জানতেও এলাকায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিস। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্কও।
ফরাক্কার তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলামের দাবি, ভোটের আগে সন্ত্রাস তৈরি করার জন্যেই এই বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি সাইমুল শেখকে তিনি 'ক্রিমিনাল' বলেও মন্তব্য করেছেন। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফরাক্কার ব্লক কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল বাসির। তিনি জানান, এটা সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র। চক্রান্ত করে সাইমুল শেখের বাড়িতে বোমা রেখেছে শাসক-বিরোধী দলের কর্মীরা।