যাদবপুরের দেওয়ালে 'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী' স্লোগান আর চলবে না। গেরুয়া সম্মান যাত্রা শেষ করে পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, 'বাংলার বুকে অপশব্দ বলা বা লেখার আগে পাঁচব...
যাদবপুরের দেওয়ালে 'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী' স্লোগান আর চলবে না। গেরুয়া সম্মান যাত্রা শেষ করে পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, 'বাংলার বুকে অপশব্দ বলা বা লেখার আগে পাঁচবার ভাববেন।'
এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই পরিষ্কার করেন যে, বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান মোটেও বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, 'গেরুয়ার অপমান আমরা সহ্য করব না। আর কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী, কিষেনজি রেড সেলুট... কীভাবে সাফ করতে হয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানেন।' এরপরেই পূর্বতন দুই সরকারকে পর্যুদস্ত করার উদাহরণ টেনে শুভেন্দু বলেন, 'আপনারা জানেন ২০১১-তে পণ করেছিলাম কমিউনিস্টকে সরাব। আমি পণ করেছিলাম মোদীজির নেতৃত্বে ছাব্বিশে জামাতি সরকারকে সরাব। আপনাদের সাহায্যে সেটা হয়েছে। তাঁর আরও সংযোজন, 'আপনারা সঙ্গে থাকুন স্বামী বিবেকানন্দের মাটি, শ্রীচৈতন্য ও প্রণবানন্দের ভূমিতে গেরুয়াই হবে, গেরুয়াই হবে, গেরুয়াই হবে।'
বলে রাখা ভালো, আজ গোলপার্ক থেকে এইট বি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে গেরুয়া ধ্বজা হাতেপা মেলান বহু সাধু-সন্তরা। মিছিলে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গিয়েছে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তাপস রায়কে। উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ও। গেরুয়া মিছিল যাদবপুর পৌঁছতেই ‘বন্দে মাতরম’ গানে অংশ নেন সকলে। এরপরেই যাদবপুরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে দেশবিরোধীদের উদ্দেশ্যে করে হুঁশিয়ারি বার্তা দেন তিনি। বলেন তিনি এরপর আরও দু'বার যাবেন যাদবপুরে। একবার গীতাপাঠ করতে এবং আরেকবার হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে।