রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আধিকারিক ও কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড পরিচালনায় এবার অভিন্ন আইনি কাঠামো তৈরি করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি লজ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০...
রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আধিকারিক ও কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড পরিচালনায় এবার অভিন্ন আইনি কাঠামো তৈরি করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি লজ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ প্রকাশিত হয়েছে কলকাতা গেজেটে। ৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এই বিলে রাজ্যের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় সংশোধন আনা হয়েছে।
বিলে মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রভিডেন্ট ফান্ড সংক্রান্ত বিধান বদল করা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, কোনও বিশ্ববিদ্যালয় তার শিক্ষক, আধিকারিক বা কর্মীদের জন্য যে প্রভিডেন্ট ফান্ড গঠন করবে, তা পরিচালিত হবে West Bengal Non-Government Educational Institutions and Local Authorities (Control of Provident Fund of Employees) Act, 1983-এর বিধান অনুযায়ী।
প্রস্তাবিত এই বিলে সংশোধনী আনা হচ্ছে নিম্নলিখিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আইনে—
* গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়
* সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়
* রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
* প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়
* কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়
* কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
* ডায়মন্ড হারবার উইমেন্স ইউনিভার্সিটি
* রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়
* বাবা সাহেব আম্বেদকর এডুকেশন ইউনিভার্সিটি
* সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়
* রানি রাসমণি গ্রিন ইউনিভার্সিটি
* বিশ্ব বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়
* সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়
* মহাত্মা গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়
* মুর্শিদাবাদ মহারাজা কৃষ্ণনাথ বিশ্ববিদ্যালয়
* দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়
* দার্জিলিং হিলস বিশ্ববিদ্যালয়
* আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়
* কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়
* হরিচাঁদ গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয়
* হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়
কী বলা হয়েছে বিলে?
বিলের বিভিন্ন ধারায় সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় আইনে থাকা ‘Provident Fund’ সংক্রান্ত ধারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আধিকারিক বা কর্মীদের জন্য গঠিত প্রভিডেন্ট ফান্ড ১৯৮৩ সালের সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে পরিচালিত হবে।
Statement of Objects and Reasons-এ বলা হয়েছে, এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রভিডেন্ট ফান্ড পরিচালনার জন্য অভিন্ন বিধান কার্যকর করতেই সংশোধন প্রয়োজন। বিলটি কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রভিডেন্ট ফান্ড পরিচালনায় একটি অভিন্ন আইনি কাঠামো তৈরি হবে। তবে বিলে আর্থিক প্রভাব রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় বাজেট সংক্রান্ত ব্যবস্থা অর্থ দফতরের সঙ্গে পরামর্শ করে করা হবে।