মথুরাপুরে এসে বাংলার নামে 'কুৎসা' করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সেনাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার জবাব দিতে ৮ মার্চ পাল্টা জনসভা করতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্...
মথুরাপুরে এসে বাংলার নামে 'কুৎসা' করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সেনাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার জবাব দিতে ৮ মার্চ পাল্টা জনসভা করতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সভায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।
মথুরাপুর থেকে অমিত শাহকে যথোচিত জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এদিন, অভিষেকের সভার প্রস্তুতি পর্ব ঘুরে দেখলে মথরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই এই সভাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিজেপির সর্বভারতীয় নেতার সভার ক-দিনের মাথায় তৃণমূলের এই পাল্টা কর্মসূচিকে ঘিরে বাড়ছে উত্তাপ।
তৃণমূল সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, রাজ্যের প্রাপ্য টাকা এবং একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাবেন অভিষেক। পাশাপাশি রাজ্যের উন্নয়নের খতিয়ানও তুলে ধরবেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জনসভা কার্যত শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হতে চলেছে।
সভাস্থল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের প্রস্তুতি তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা একাধিক বৈঠক করেছেন। এদিন সভাস্থল পরিদর্শন করেন মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার। সাংসদের কটাক্ষ, "রায়দিঘি বিধানসভার ভৌগোলিক অবস্থানই জানে না বিজেপি। মন্দিরবাজার বিধানসভার এলাকায় মিটিং করে আর রায়দিঘি বিধানসভার নাম বলে ওরা। ভৌগোলিক অবস্থা জানতে এখনো পড়াশোনা করতে হবে বিজেপিকে "।
এসআইআর-কে কেন্দ্র করে সাধারণ নাগরিকদের নাম সংক্রান্ত যে সমস্ত অভিযোগ বা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, সেই প্রসঙ্গও উঠবে অভিষেকের জনসভায়। মথুরাপুরের সাংসদের কথায়, "সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় দল সর্বদা সোচ্চার"।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই সভা রাজ্যের রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন সভাস্থল ঘুরে দেখেন সাংসদ বাপি হালদার, মথুরাপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মানবেন্দ্র হালদার। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিস সুপারও।