বকখালিরেমালের তাণ্ডব, প্রবল জলোচ্ছ্বাসে বিধ্বস্ত উপকূলবর্তী বিভিন্ন এলাকা। যে বকখালিতে পর্যটকের ভিড় থাকে সারা বছর এদিন দেখা গেল সেই বকখালি কার্যত শুনশান। সমুদ্রের বুকে শুধু প্রবল হাওয়া আর জলোচ্ছ্বাসে...
বকখালি
রেমালের তাণ্ডব, প্রবল জলোচ্ছ্বাসে বিধ্বস্ত উপকূলবর্তী বিভিন্ন এলাকা। যে বকখালিতে পর্যটকের ভিড় থাকে সারা বছর এদিন দেখা গেল সেই বকখালি কার্যত শুনশান। সমুদ্রের বুকে শুধু প্রবল হাওয়া আর জলোচ্ছ্বাসের দাপট ।
গঙ্গাসাগর
রাতভর বৃষ্টি আর ঝড়ের দাপটে বিধ্বস্ত গঙ্গাসাগর এলাকা। ভেসেছে চাষের জমি। গাছ ভেঙে আটকেছে রাস্তা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে এনডিআরএফ বাহিনী। শুনশান এলাকা, বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ত্রাণ শিবিরে।
ঝড়খালি ফেরিঘাট
জলের শক্তি বেড়েছে সমুদ্রে, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকার ফেরি পরিষেবা বন্ধ থাকে সোমবার দিনভর। বন্ধ থাকে ঝড়খালির ফেরি পরিষেবাও।
কুমিরমারি
কথায় বলে, নদির ধারে বাস, ভাবনা বারো মাস। নদির ধারে বাস করার যে কী জ্বালা, বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকে গেলে কত কষ্ট সহ্য করতে হয় বোধহয় সেখানকার মানুষই বোঝেন। বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকে যাওয়ার আগে তাই প্লাস্টিক দিয়ে কোনও রকমে বাঁধ মেরামতির চেষ্টা কুমিরমারি গ্রামের বাসিন্দাদের।
পাখিরালয়
একই ছবি পাখিরালয়েও। সুন্দরবন বেড়াতে যাওয়া মানেই পাখিরালয় ভ্রমণ। কিন্তু রেমালের তাণ্ডবে দুর্বিষহ সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা। কুমিরমারি গ্রামের বাসিন্দাদের মতোই দেখা গেল পাখিরালয়ের বাসিন্দারাও বাঁধ মেরামতিতে হাত লাগিয়েছেন বালির বস্তা, ত্রিপল দিয়ে। চেষ্টা তো করছেন, কিন্তু কাজ হবে তো? বাঁধ ভেঙে নোনা জল ঢুকে পড়বে না তো গ্রামে? আতঙ্ক।
রাঙাবেলিয়া নদী এলাকা
সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে জল বেড়েছে সুন্দরবন এলাকার নদীগুলিতে। রীতিমতো ফুঁসছে রাঙাবেলিয়া নদী। নদীবাঁধ ভাঙা সুন্দরবনবাসীর কাছে নতুন কিছু নয়। সুন্দরবনের বাসিন্দাদের তাই বরাবরের দাবি, বাঁধ হোক কংক্রিটের। কিন্তু তা আর হয় কই!