রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্রমেই যেন ভগ্নদশা। একের পর এক সরকারি স্কুলের দরজায় ঝুলছে তালা। এই আবহে ভাস্কর ঘোষ নামের এক শিক্ষকের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত না থাকার প্রতিবাদে দুর্গাপুরের লাউদোহার প্রতাপপুর গ্...
রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্রমেই যেন ভগ্নদশা। একের পর এক সরকারি স্কুলের দরজায় ঝুলছে তালা। এই আবহে ভাস্কর ঘোষ নামের এক শিক্ষকের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত না থাকার প্রতিবাদে দুর্গাপুরের লাউদোহার প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধবনী অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তুমুল বিক্ষোভ অভিবাবকদের। অভিযোগ, ওই শিক্ষক নাকি স্কুলে না গিয়ে মিটিং মিছিলে ব্যস্ত থাকেন। \r\n জানা যায়, ভাস্কর ঘোষ নামের ওই শিক্ষক নাকি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা। ডিএ নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। আর তাতেই বেধেছে গোল। শিক্ষক ভাস্কর ঘোষের অনুপস্থিতির কারণে নাকি লাটে উঠেছে পঠন পাঠন। কচিকাঁচাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন অভিভাবকরা। এমনই অভিযোগ তুলে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবক সহ স্থানীয়রা। বিক্ষোভে সামিল খোদ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য অপর্ণা বাউরি। অভিযোগে সায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। সরাসরি অভিযোগ অস্বীকার করে বিক্ষোভকারীরা বহিরাগত বলে দাবি অভিযুক্ত শিক্ষক ভাস্কর ঘোষের। বাংলা যাতে দুর্নীতি মুক্ত সমাজ পায় তার জন্যই লড়াই বলে দাবি তাঁর। নিশানায় তৃণমূল। একই সঙ্গে, অভিযোগ অস্বীকার করে ভাস্কর ঘোষ অত্যন্ত ছাত্র দরদী শিক্ষক বলে দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের। অন্যদিকে ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের যে আন্দোলন তার থেকে দৃষ্টি ঘোড়াতেই এই বিক্ষোভ বলে দাবি বিজেপির। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয় লাউদোহা থানার পুলিস। তবে হকের দাবিতে কেন পথে নামতে হল সরকারি কর্মচারীদের? কতদিনই বা তাঁদের পথে থাকতে হবে? শিশু শিক্ষায় অবহেলার জন্য দায়ী কি আন্দোলনরত শিক্ষকরা? এই প্রশ্ন কিন্তু ভেবে দেখার সময় এসেছে বলেই মত ওয়াকিবহালমহলের।