জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (UNSC) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য। কিন্তু প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে বর্তমান কাঠামো আর কার্যকর নয়। তিনি বলেন, গত এক বছরে গাজা থেকে ইউক্রেন, মিয়ানমার থেকে দারফুর পর্যন্ত ৬০টিরও বেশি সংঘাত ও যুদ্ধ হয়েছে, অথচ জাতিসংঘ কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
এরদোয়ান দীর্ঘদিন ধরে “The world is bigger than five” স্লোগান ব্যবহার করে আসছেন। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান যে পাঁচ স্থায়ী সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন—এর হাতে ভেটো ক্ষমতা থাকা অন্যায়। তিনি প্রস্তাব করেছেন, ভেটো ক্ষমতা বাতিল করতে হবে এবং সাধারণ পরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের মাধ্যমে একটি আরও গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বিশেষভাবে ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, গাজা ও পশ্চিম তীরে যে অবিচার চলছে তা মানবতার বিবেককে আহত করছে। তিনি আরও আহ্বান জানান যে যেসব দেশ এখনও ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, তারা যেন তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে।
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার: এরদোয়ানের বক্তব্য বিশ্বব্যাপী একটি ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্তর্জাতিক কাঠামোর দাবি জোরদার করছে।
ভূরাজনৈতিক বার্তা: তুরস্ক নিজেকে এমন এক শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে, যে পশ্চিমা আধিপত্যের বাইরে একটি বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থা চায়।
ফিলিস্তিন প্রসঙ্গ: গাজার যুদ্ধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি মুসলিম বিশ্বে নেতৃত্বের দাবি আরও শক্তিশালী করছেন।