মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষেরা মূলত কোন অনুষ্ঠান-পার্বণে ফেসিয়াল করিয়ে থাকে। কিন্তু আবার এমনও অনেকে রয়েছেন যারা ইচ্ছা হলেই ফেসিয়াল করে থাকেন। কিন্তু রূপচর্চা বিশেষজ্ঞরা বলছে, ফেসিয়াল সবার জন্য নয়। কেউ যদি ঠিকঠাক করে রোজ স্কিন কেয়ার করে, তাহলে তার আরও ফেসিয়ালের দরকার পড়বে না। প্রসঙ্গত এমন বহু মানুষ রয়েছেন যারা বছরের পর বছর ফেসিয়াল না করেও সঠিকভাবে ত্বকের যত্ন করতে পারছেন। আবার কেউ এমনও রয়েছেন যারা কম বয়সী থাকতেই নিয়মিত করে ফেসিয়াল করেন। তাই ঠিক কখন ফেসিয়াল করানো উচিত তার জেনে নিলে ত্বকের জন্য ভালো হবে। কোন জিনিসের রাজা কোন বয়স থেকে ফেসিয়াল করানো উচিত-
ফেসিয়াল করানোর সঠিক বয়স:
রূপচর্চা বিশেষজ্ঞরা বলছে, মোটামুটি ২৫ বছরের পর থেকে ফেসিয়াল করানো যেতে পারে। কারণ, এমন সময় থেকেই অ্যান্টি-এজিংয়ের জন্য স্কিন কেয়ারের উপর জোর দেওয়া যায়। তবে, ফেসিয়াল করার সঠিক সময় জিজ্ঞাসা করা হয় তাহলে ৩০-এ পা দেওয়ার সময় থেকেই করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত, চারিদিকে যে হরে দূষণ বাড়ছে ও যাঁদের দৈনন্দিন জীবনে অত্যধিক স্ট্রেস রয়েছে তাঁদের ত্বক তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যেতে পারে।
এখন অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে কোন লক্ষণ দেখে ফেশিয়াল করা উচিত?
১) রূপচর্চা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক চাপ, দূষণ ও কাজের চাপ-এর কারণে ত্বকের জেল্লা হারিয়ে যায়। অনেক সময় আবার শারীরিক অসুস্থতার জেরে ত্বক ক্লান্ত দেখায়। এমন অবস্থায় ত্বক শুধু পরিষ্কার করলেই হবে না, ফেসিয়াল করলে ভালো কাজে দেবে।
২) ডিহাইড্রেশন-এর জন্য ত্বক শুস্ক দেখায়। এমন সময় ত্বক খসখসে হয়ে ওঠে, বলিরেখা দেখা দেয়। এক কথায় বলতে গেলে, ত্বকে, কোনও রকম জেল্লা থাকে না। এই অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে জল পান। এর সঙ্গে ত্বকে ফেসিয়াল করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।
৩) কারোর যদি ব্রণ থাকে তাহলে ফেসিয়াল তাঁর না করানোই উচিত। এতে সমস্যা বাড়তে পারে। কিন্তু রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডসের সমস্যা বাড়ে। এই কারণে ফেসিয়াল করানো উচিত।