এখনকার দিনে, চুলের যত্নের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে থাকে। নামিদামি তেল শ্যাম্পু ব্যবহার করা থেকে শুরু করে ঘরোয়া টোটকা, এছাড়াও নিত্য নতুন সিরাম মেখেই চলেছেন। তবে এই ছবি দিয়ে খুব একটা ভালো ফল দেয় তেমন টাও নয়। এদিকে আবার একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে আমরা চুল আঁচড়ানোর জন্য সাধারণত প্লাস্টিকের চিরুনি ব্যবহার করে থাকি। কেশ বিশেষজ্ঞরা বলছি এখানেই ঘটে যায় বিপদ। চুলের বারোটা বাজার জন্য অন্যতম কারণ হলো প্লাস্টিকে চিরুনি। এই চিরুনি ব্যবহার করার ফলে চুল মাঝখান থেকে ভেঙ্গে যায় এবং সুস্থ করে তোলে। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে সেনসিটিভ হয়ে ওঠে। এমন সময় বিশেষজ্ঞরা বলছে প্লাস্টিকের চিরুনির বদলে কাঠের চিরুনি ব্যবহার করলে অনেকটা সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। কিন্তু কোন কাঠের চিরুনি চুলের জন্য উপকৃত হবে? চলুন এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক-
খুশকি দূর করতে সাহায্য করে:
নিমগাছ তার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণের জন্য পরিচিত। নিমকাঠের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে মাথার ত্বকের (Scalp) ছত্রাক সংক্রমণ কমে, যা খুশকি দূর করতে ভীষণভাবে সাহায্য করে।
রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে:
নিমকাঠের চিরুনির দাঁতগুলো সাধারণত প্লাস্টিকের তুলনায় একটু নরম এবং ভোঁতা হয়। এটি মাথায় আঁচড়ানোর সময় স্ক্যাল্পে আলতো ম্যাসাজের মতো কাজ করে, যার ফলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়।
নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে:
বিশেষজ্ঞরা বলছে, এই চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে স্ক্যাল্পে নতুন চুলও গজাতে দেখা যায়। নিমকাঠের চিরুনি আবার স্ক্যাল্পের নোংরা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
চুল পড়া রুখে দেয়:
একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে চুলের জট ছাড়াতে গেলে কত চুল ছিঁড়ে হাতে চলে আসে। এই সমস্যা আবার প্লাস্টিকের চিরুনিতে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। তবে, নিমকাঠের চিরুনি ব্যাবস্থার করলে এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না। নিমকাঠের চিরুনি এই সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। নিমকাঠের চিরুনি ব্যবহার করলে চুল ছিঁড়ে যাওয়ার ভয় নেই।