ত্বকের যত্ন করার জন্য প্রাচীনকাল থেকে অনেকেই ফিটকিরি ব্যবহার করে আসছে। বিশেষ করে, আমাদের বাবা-কাকারা যাঁরা রয়েছেন তাঁরা দাড়ি কামানোর পর ইনফেকশন হওয়া থেকে আটকানোর জন্য এই জিনিস ব্যবহার করে থাকেন। দৈনন্দিন জীবনে আজও বেশ প্রচলিত এই জিনিসটি। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক, ফিটকিরি ব্যবহার করলে কী কী উপকার পাওয়া যেতে পারে-
১) বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিটকিরি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ও অ্যান্টি-সেপটিক হিসাবে খুব ভালো কাজ করে। ত্বকের জীবাণু নাশ করতে সাহায্য করে। আবার, কারোর যদি ফুসকুড়ি কিংবা ব্রণ তাহলেও ফিটকিরি বেশ ভালো ফল প্রদান করে। কেউ চাইলে সামান্য জলে ফিটকিরি গুঁড়ো মিশিয়ে ব্রণের উপর লাগালে প্রদাহ কমতে সাহায্য করে। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য ফিটকিরি বেশি উপকারী। ফিটকিরি ত্বকের তেল শোষণ করে ত্বক সতেজ ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
২) শেভিং-এর পর অনেক সময় ছোটখাটো ক্ষত বা রক্তপাত হয়। সেই জায়গায় ফিটকিরি ঘষলে রক্তপাত দ্রুত বন্ধ হয় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। এটি প্রাকৃতির আফটার-শেভ হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত ফিটকিরি ব্যবহার করলে ত্বকের লোমকূপ ছোট করতে সাহায্য করে। এমনকি, ত্বক টানটানও দেখায়। আবার, ওয়াক্সিং করার পরেও ফিটকিরি লাগালে ত্বকের জ্বালা ও লালচেভাব কমতে দেখা যায়।
ফিটকিরি ব্যবহার করা খুব সহজ। ফিটকিরি সামান্য জলে ভিজিয়ে প্রয়োজনীয় স্থানে হালকা করে ঘষে নিলেই হবে। আবার, কেউ যদি চায় তাহলে ফিটকিরির গুঁড়ো গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। তবে, এই ফেসপ্যাক সপ্তাহে এক থেকে দুই সপ্তাহের বেশি ব্যবহার না করে ভালো।