আজকালকার দিনে, কমবেশি সকলের মধ্যেই খুশকির সমস্যা দেখতে পাওয়া যায়। বিষাদে সেই খুশকির আবার বাড়বাড়ন্ত হয় শীতকালে। আর এই খুশকির বাড়াবাড়ি হওয়ার কারণে মাথার অর্ধেক চুল ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। এমনকি চুলের সঙ্গে ভ্রু যুগলেও হানা দিয়েছে খুশকি। এর ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই মাথার চুলের সঙ্গে ভ্রুয়ের রোমও খসে পড়ে যাচ্ছে। এমনকি, থ্রেডিং করালেও মোটেই তা ভালো দেখাচ্ছে না। এদিকে আবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঘরোয়া টোটকা অনুসরণ করলেই ভ্রূ ঘন করা যেতে পারে। তাহলে জেনে নেয়া যাক কোন কোন টোটকার মাধ্যমে ভ্রূকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যেতে পারে?
১) রূপচর্চা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে ক্যাস্টর অয়েল খুব ভালো কাজ করে। এই তেল কেবল চুলের বৃদ্ধির জন্যই নয়, ভ্রূ'র ক্ষেত্রেও একইভাবে কাজ করে। এই তেলের মধ্যে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন ই-এর মতন উপাদান। উল্লেখিত এই উপাদানগুলি চুলের ফলিকলকে মজবুত করতে সাহায্য করে। তাই, চুল কিংবা ভ্রুয়ের রোম ঘন করার জন্য রোজ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভুরুযুগলে এক ফোঁটা ক্যাস্টর মেখে মিনিট ২ ম্যাসাজ করে শুয়ে পড়তে হবে।
২) অন্যদিকে,এ আবার নারকেল তেলে থাকা লওরিক অ্যাসিড, ভুরুর রোমে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করে। এছাড়া হেয়ার ফলিকলে পুষ্টি যোগায়। এরই সঙ্গে, ত্বকের যে কোনও ধরনের সংক্রমণ রুখে দিতে সাহায্য করে। এমনকি, থ্রেডিং করার পর নারকেল তেল মেখে নিলে জ্বাল-যন্ত্রণা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৩) অ্যালোভেরা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। এই কারণে, রূপচর্চা বিশেষজ্ঞরা বলছেন অ্যালোভেরাতেও রয়েছে ভিটামিন ই। তাই, ত্বকের শুস্কতা দূর করতে খুব ভালো কাজ করে অ্যালোভেরা।
৪) পেঁয়াজের রস আবার নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এই রস যদি ভ্রুতে ব্যবহার করা হয় তাহলে নতুন করে রোম গজাতে পারে। তবে পেঁয়াজের রস খুব বেশিক্ষণ মেখে রাখার প্রয়োজন নেই।